
নিহত আবু কাউসার নগরীর পশ্চিম ফিরোজশাহ এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় বিএসআরএম কারখানায় পাহারাদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবছার জানান, সোমবার রাত ৩টার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত অবস্থায় কাউসারের মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না, তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করেছে। এ বিষয়ে ওসি জানান, বিএসআরএম ডিপোর গেটের ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ওই যুবক একাই ফ্লাইওভারে আসেন। পরে তিনি নিজেই রশি বেঁধে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ফুটেজে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে সোমবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউসারের ঝুলন্ত মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কিছু পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, কাউসার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নেতা বা কর্মী ছিলেন এবং তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।