সর্বশেষ
ড্রোন থেকে বাঁচতে তেল স্থাপনায় লোহার বেড়া দিচ্ছে আরব আমিরাত।এইপ্রথম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হলেন একজন আলেম‘বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে’: বেলারুশে কেন আরও পারমাণবিক বোমা পাঠাল রাশিয়াপ্রবাসীদের রাজনৈতিক অধিকার ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব চান ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির নেতারাসিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২ধর্ষক নিজে স্বীকারোক্তি দেওয়ার পরও কেন ডিএনএ টেস্ট লাগবে, প্রশ্ন সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা পারভিনের।সিলেটে যুবদলনেতা ছেলের নির্যাতনে অসহায় মা লিখিত অভিযোগ দিলেন মহানগর বিএনপির কাছে।নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের ৮ নেতার নামে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভড্রোন থেকে বাঁচতে তেল স্থাপনায় লোহার বেড়া দিচ্ছে আরব আমিরাত।এইপ্রথম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হলেন একজন আলেম‘বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে’: বেলারুশে কেন আরও পারমাণবিক বোমা পাঠাল রাশিয়াপ্রবাসীদের রাজনৈতিক অধিকার ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব চান ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির নেতারাসিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২ধর্ষক নিজে স্বীকারোক্তি দেওয়ার পরও কেন ডিএনএ টেস্ট লাগবে, প্রশ্ন সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা পারভিনের।সিলেটে যুবদলনেতা ছেলের নির্যাতনে অসহায় মা লিখিত অভিযোগ দিলেন মহানগর বিএনপির কাছে।নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের ৮ নেতার নামে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

‘বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে’: বেলারুশে কেন আরও পারমাণবিক বোমা পাঠাল রাশিয়া

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬
‘বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে’: বেলারুশে কেন আরও পারমাণবিক বোমা পাঠাল রাশিয়া

রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের মহড়ায় অংশ নিয়েছেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রথমবারের মতো তিনি এই মহড়ায় অংশ নেন। এই মহড়ায় ‘ট্যাকটিক্যাল’ ও ‘স্ট্র্যাটেজিক’ পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের মহড়া চালানো হয়।

গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই যৌথ সামরিক মহড়া চলে। লুকাশেঙ্কো ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই মহড়া তদারক করেন। পূর্ব ইউরোপ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এই মহড়া বিস্তৃত ছিল। মহড়ায় কয়েক শ রুশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী যান, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ ও পারমাণবিক সাবমেরিন (ডুবোজাহাজ) অংশ নেয়।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ বেলারুশে ৭১ বছর বয়সী লুকাশেঙ্কো ১৯৯৪ সাল থেকে ক্ষমতায় আছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে হুমকি দিচ্ছি না। তবে আমাদের কাছে তেমন (পারমাণবিক) অস্ত্র আছে। (বেলারুশের) ব্রেস্ট শহর থেকে (রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় বন্দর) ভ্লাদিভস্তক পর্যন্ত আমাদের পিতৃভূমি রক্ষায় আমরা যেকোনো উপায় অবলম্বনে প্রস্তুত।’


লুকাশেঙ্কোকে প্রায়ই ‘ইউরোপের শেষ স্বৈরশাসক’ বলা হয়। তবে তিনি সব রাজনৈতিক সুবিধা এক জায়গা থেকে নিতে চান না। তিনি তাঁর রাজনৈতিক কৌশলে বৈচিত্র্য রাখছেন।

মস্কো তাঁকে অনেক বছর ধরে রাজনৈতিক সমর্থন দিয়ে আসছে। বেলারুশ সস্তায় তেল-গ্যাস ও অর্থনৈতিক সুবিধা পায়। তবে নব্বইয়ের দশক থেকেই বেলারুশকে রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত করার চেষ্টা চলছে। পুতিনের সেই চেষ্টা লুকাশেঙ্কো সফলভাবে ঠেকিয়ে দিয়েছেন। আবার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বেলারুশের সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হয়েছে।

তাহলে রাশিয়ার এই পারমাণবিক যুদ্ধের মহড়ায় বেলারুশের অংশ নেওয়ার পেছনে রহস্য কী?