সর্বশেষ
জামেয়া নুরিয়া টঙ্গীর দাওরায়ে হাদিসের সকল ছাত্র একযোগে বহিষ্কার।ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।তেল নিয়ে সরকারের তেলেসমাতি: দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার।হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী দুই সরকারের উদাসীনতা ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ : প্রধানমন্ত্রী।বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীযুবলীগ নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা।নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।জামেয়া নুরিয়া টঙ্গীর দাওরায়ে হাদিসের সকল ছাত্র একযোগে বহিষ্কার।ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।তেল নিয়ে সরকারের তেলেসমাতি: দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার।হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী দুই সরকারের উদাসীনতা ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ : প্রধানমন্ত্রী।বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীযুবলীগ নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা।নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।
Live Bangla Logo

বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্তব্য করেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে।


কোচবিহারের এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুর মাংস খাওয়ার প্রচলন বন্ধ হবে। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে মেরুকরণের আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।


অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করা হতে পারে। দলটির নেতারা বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন।


সাম্প্রতিক বক্তব্যে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসামে বিজেপি সরকারের আমলেও সাধারণভাবে মাছ-মাংস খাওয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে গরুকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়—এই যুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে গরুর মাংস খাওয়া ও গরু পাচার উভয়ই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।


তিনি আরও বলেন, সাধারণ মাংস ভক্ষণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না; কেবল গোমাংসের কারবার বন্ধ করা হবে—এই বিষয়টি নিয়েই তৃণমূল নেত্রীদের উদ্বেগ রয়েছে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যে একদিকে বাঙালির আমিষভোজী সংস্কৃতিকে সরাসরি আঘাত না করে অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে আনার কৌশল প্রতিফলিত হচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য ইস্যুর পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।