সর্বশেষ
নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ নেতাদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব জামায়াতের‘জুলাইয়ের ঐক্য ও শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে প্রথম গাদ্দারি করেছে বিএনপি’সন্তানদের ওপর ভরসা নেই, জীবিত থাকতেই নিজের কবর প্রস্তুত করলেন বৃদ্ধারাজধানীতে ফিটনেসবিহীন যান অপসারণ ও ৫০টি নতুন অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ নেতাদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব জামায়াতের‘জুলাইয়ের ঐক্য ও শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে প্রথম গাদ্দারি করেছে বিএনপি’সন্তানদের ওপর ভরসা নেই, জীবিত থাকতেই নিজের কবর প্রস্তুত করলেন বৃদ্ধারাজধানীতে ফিটনেসবিহীন যান অপসারণ ও ৫০টি নতুন অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

শেখ হাসিনার নির্দেশে শাপলা চত্বরে অভিযান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এর তদন্তে আসামি শেখ হাসিনা ।

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শেখ হাসিনার নির্দেশে শাপলা চত্বরে অভিযান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এর তদন্তে আসামি শেখ হাসিনা ।
২০১৩ সালে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এর তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারসহ অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, শাপলা চত্বরে অভিযানের নির্দেশ সরাসরি গণভবন থেকে আসে। প্রধান আসামি করা হয়েছে শেখ হাসিনাকে। এরপর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের নাম উল্লেখ করা হয়। আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক, গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান এইচ সরকার, শাহরিয়ার কবীর, পুলিশের তৎকালীন আইজি হাসান মাহমুদ খোন্দকার, পুলিশ কর্মকর্তা শহিদুল হক, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের ডিজি মোখলেস, জিয়াউল আহসানসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্টারপ্ল্যান করে হেফাজতের নেতাকর্মীদের ঢাকায় আনা হয় এবং সারাদিন বিভিন্নভাবে তাদের ত্যক্ত-বিরক্ত করা হয়। ভাঙচুরের খবর প্রচার করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়। পরে রাত ১০টার পর শাপলা চত্বরে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। রাত ১টা ৪৫ মিনিটে বিদ্যুৎ নিভিয়ে একদিক খোলা রেখে সমন্বিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মোট নিহতের সংখ্যা চূড়ান্ত করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মৃতদের নিয়ে সংগঠন ‘অধিকার’-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন বাতিলসহ ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজতে ইসলাম। সমাবেশ ঘিরে দিনভর সংঘর্ষের পর রাতে অভিযান পরিচালিত হয়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার বরাবরই হত্যাযজ্ঞের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঘটনার তদন্ত চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানায় হেফাজতে ইসলাম। জাতীয় নির্বাচনের আগেই তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। আলোচিত এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামি হলেন— সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম।