নিউজ
পড়া হচ্ছে...
বিএনপি নেতার গাড়ি চলাচলে বাধা, বেড়িবাঁধের ২০টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, নিজের বাড়িতে যাতায়াতের পথ সুগম করতে গত ৫ আগস্টের পর থেকে ধাপে ধাপে এসব গাছ কাটা হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য থাকাকালীন নদীভাঙন প্রতিরোধে ওই বেড়িবাঁধে মেহগনি গাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো এলাকাকে নদীভাঙন থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিটি গাছের বর্তমান বাজারমূল্য ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে যেতে হলে বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে চলাচল করতে হয়। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চলাচলে অসুবিধা হওয়ায় ৫ আগস্টের পর থেকে একে একে গাছ কাটা শুরু হয়। সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে ১০ থেকে ১২টি গাছ কেটে ফেলা হয়। বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে গাছের গুঁড়ি কেটে পরে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রভাবশালী হওয়ায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
অভিযোগ অস্বীকার করে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, গাছ কাটার কোনো প্রয়োজন তাঁর নেই। জায়গা ও গাছ সরকারি নয়, প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে গাছ কেটে নিয়েছেন। তাঁর দাবি, বেড়িবাঁধ সরকারি বা অধিগ্রহণকৃত নয়।
মিঠামইন উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বন বিভাগের কর্মকর্তা জুলফিকার জয় জানান, বেড়িবাঁধের গাছগুলো স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর–এর তত্ত্বাবধানে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় ‘খোয়াব’ নামের একটি এনজিও রোপণ করেছিল। উপকারভোগী স্থানীয় দুঃস্থ নারী ও এলজিইডি বিষয়টি দেখাশোনা করছে; এটি বন বিভাগের আওতায় পড়ে না।