নিউজ
পড়া হচ্ছে...
ওসমান হাদীর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সিআইডি।

জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঁঞা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি।
এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান জানিয়েছেন।
এর আগে ৬ জানুয়ারি মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে সেই অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট নয় ইনকিলাব মঞ্চ। ১২ জানুয়ারি মামলাটি শুনানির জন্য নির্ধারিত থাকলেও মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চান। আদালত তা মঞ্জুর করে ১৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য করেন।
১৫ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ও মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
তদন্তভার পাওয়ার পর মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফয়সাল রুবেল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুই দফায় ১২ দিনের রিমান্ড শেষে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয়।