সর্বশেষ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।
Live Bangla Logo

ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৫

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৫

বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ভারতের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রধান ও মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। আজ বুধবার সকালে মুম্বাই থেকে বারামতি যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলট ও পাওয়ারের নিরাপত্তাকর্মীসহ আরো চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

ছোট বিমানটি সকাল ৮টার দিকে মুম্বাই থেকে উড্ডয়ন করে এবং ৪৫ মিনিট পর বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে অজিত পাওয়ারের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল।

ঘটনাস্থলের দৃশ্যে আগুন ও ধোঁয়া, বিমানের বিধ্বস্ত অংশ এবং আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে অ্যাম্বুল্যান্স ছুটে যেতে দেখা গেছে। ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, বিমানে থাকা পাঁচজন যাত্রীই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার ছিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও এনসিপির প্রতিষ্ঠাতা শরদ পাওয়ারের ভাতিজা এবং লোকসভা সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের চাচাতো ভাই।শরদ পাওয়ার ও সুপ্রিয়া সুলে বর্তমানে সংসদের বাজেট অধিবেশনের জন্য দিল্লিতে ছিলেন।

২০২৩ সালে অজিত পাওয়ার এনসিপিতে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন, যার ফলে দলটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এর একটি অংশের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি নিজে এবং অন্য অংশের নেতৃত্বে ছিলেন তার কাকা শরদ পাওয়ার। পরে তিনি এনডিএ সরকারে যোগ দিয়ে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হন।