সর্বশেষ
নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ নেতাদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব জামায়াতের‘জুলাইয়ের ঐক্য ও শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে প্রথম গাদ্দারি করেছে বিএনপি’সন্তানদের ওপর ভরসা নেই, জীবিত থাকতেই নিজের কবর প্রস্তুত করলেন বৃদ্ধারাজধানীতে ফিটনেসবিহীন যান অপসারণ ও ৫০টি নতুন অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ নেতাদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব জামায়াতের‘জুলাইয়ের ঐক্য ও শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে প্রথম গাদ্দারি করেছে বিএনপি’সন্তানদের ওপর ভরসা নেই, জীবিত থাকতেই নিজের কবর প্রস্তুত করলেন বৃদ্ধারাজধানীতে ফিটনেসবিহীন যান অপসারণ ও ৫০টি নতুন অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বিএনপির কৃষক কার্ড: ২০২২ সালের আওয়ামী লীগের ‘কৃষি কার্ডের’ পুনরাবৃত্তি?

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
বিএনপির কৃষক কার্ড: ২০২২ সালের আওয়ামী লীগের ‘কৃষি কার্ডের’ পুনরাবৃত্তি?

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি) সম্প্রতি কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বা ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা কৃষকদের সার, বীজ, কীটনাশক, ভর্তুকি, যন্ত্রপাতি, সেচ, ঋণ, বীমা এবং প্রশিক্ষণের সুবিধা প্রদান করবে। তবে এই প্রস্তাবটি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২২ সালে চালু হওয়া ‘স্মার্ট কৃষি কার্ড’ প্রকল্পের সাথে অসাধারণ সাদৃশ্যপূর্ণ, যা ইতিমধ্যে এক কোটিরও বেশি কৃষককে ডিজিটাল পরিচয়পত্র এবং সরকারি সুবিধা প্রদান করছে। সমালোচকরা এটিকে ‘নির্বাচনী ফাঁদ’ এবং ‘পুরনো প্রকল্পের নতুন নামকরণ’ বলে সমালোচনা করছেন, যা কৃষকদের প্রকৃত উন্নয়নের চেয়ে রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০২২ সালে ‘স্মার্ট কৃষি কার্ড’ প্রকল্পের পাইলট শুরু করে, যার আওতায় দেশের ৫ কোটি কৃষকের মধ্যে ১.৬২ কোটির ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে এবং ১.০৯ কোটি কৃষককে কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এই কার্ড কৃষকদের ডিজিটাল পরিচয় হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে তারা সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা, সেচ সুবিধা, সহজ ঋণ এবং অন্যান্য কৃষি সেবা পান। প্রকল্পটি ফসল উৎপাদন পরিকল্পনা এবং বিপণন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ৩০% বাড়িয়েছে বলে জানা গেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই প্রকল্প দুই কোটিরও বেশি কৃষককে স্বচ্ছভাবে সুবিধা প্রদান করেছে।

বিএনপির প্রস্তাবিত কার্ডটি এই স্মার্ট কার্ডের মতোই সুবিধা প্রদানের কথা বলছে, যেমন মধ্যস্থতা দূরীকরণ, আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব কমানো এবং জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা। তবে সমালোচকরা যুক্তি দেন যে, এটি নতুন কিছু নয় বরং সরকারের সফল প্রকল্পের অনুকরণ। একজন কৃষি বিশ্লেষক বলেন, “বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা কেন পুরনো প্রকল্পকে নতুন নাম দিয়ে প্রচার করছে? এটি কৃষকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা।” এক্স-এ আলোচনায়ও এই সমালোচনা উঠে এসেছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা বলছেন যে বিএনপির পরিকল্পনা ‘অন্যের আইডিয়া চুরি’।

প্রকল্পের সাফল্য বিবেচনায়, সরকার ২০২৫ সালে ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতি’ অনুমোদন করেছে, যা কৃষি উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নেবে। তবে বিএনপির প্রতিশ্রুতিতে অর্থায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকায়, এটি অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের প্রতিশ্রুতি কৃষকদের প্রকৃত চাহিদা পূরণের চেয়ে ভোটার আকর্ষণের কৌশল বলে সমালোচিত। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “সরকারের সফলতাকে স্বীকার না করে বিএনপি নতুনত্বের ছলে প্রচার চালাচ্ছে।”