মেহেরপুরে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সরঞ্জামকে দেশি অস্ত্র বলে জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার।

মেহেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে আসার পথে জেলা জামায়াতের আমির ও মেহেরপুর-১ আসনের প্রার্থী তাজউদ্দীন খানের মাইক্রোবাস থেকে তিনজনকে আটক করেছিল সেনাবাহিনী। পরে উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ তাঁদের ছেড়ে দিয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে শহরের হোটেল বাজার মোড়ে তল্লাশির সময় ওই মাইক্রোবাসটি (ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-৪১৪৬) জব্দ করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী গ্রামের মাইক্রোবাসচালক ইজারুল হক, সদর উপজেলার কামদেবপুর গ্রামের জামায়াতকর্মী সাহারুল ইসলাম এবং খোকসা গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সাংবাদিক সেলিম রেজা।
সেনাবাহিনী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেরপুর সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের জনসভা উপলক্ষে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে মাইক্রোবাসটি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে চারটি ফোল্ডেবল স্টিক, একটি ইলেকট্রিক শকার, চারটি ওয়াকিটকি, একটি ম্যাকগাইভার প্লাস স্ক্রু-ড্রাইভার, ক্যামেরা ও চার্জার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এসব সরঞ্জাম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের থানায় নেয়।
এ বিষয়ে তাজউদ্দীন খান বলেন, উদ্ধার করা সরঞ্জামগুলো সমাবেশের প্যান্ডেল নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারি জানান, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও সরঞ্জাম যাচাই করে দেখা গেছে, ওয়াকিটকি ছাড়া বাকি সবই প্যান্ডেল নির্মাণকাজে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। জামায়াত নেতাদের জিম্মায় আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ওয়াকিটকি ব্যবহারের বৈধ কাগজপত্র দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।