সর্বশেষ
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্সচট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপ‘দাদু আসছে’—ডাকে সাড়া দিয়ে কোমরসমান পানিতে নেমে বন্যার্তদের পাশে ডা. শফিকুর রহমানময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ ও হত‍্যা মামলায় ২৪ দিনে রায়, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড।সূরা বাকারার ২৯নং আয়াত মেনে পরিবেশ ও সব সৃষ্টির যত্ন নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর।কক্সবাজারে ভয়াবহ বন্যা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ; পাহাড়ধসে প্রাণ গেল দুই শিশুরসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোরআন শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদেবিএনপি জুলাইয়ের চেতনাকে ‘দুধভাত’ বানাতে চায়: মামুনুল হকডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্সচট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপ‘দাদু আসছে’—ডাকে সাড়া দিয়ে কোমরসমান পানিতে নেমে বন্যার্তদের পাশে ডা. শফিকুর রহমানময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ ও হত‍্যা মামলায় ২৪ দিনে রায়, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড।সূরা বাকারার ২৯নং আয়াত মেনে পরিবেশ ও সব সৃষ্টির যত্ন নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর।কক্সবাজারে ভয়াবহ বন্যা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ; পাহাড়ধসে প্রাণ গেল দুই শিশুরসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোরআন শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদেবিএনপি জুলাইয়ের চেতনাকে ‘দুধভাত’ বানাতে চায়: মামুনুল হক
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপ

প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৬
চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপ


আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন এবং অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংকটময় সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুত ও সমন্বিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার সার্বক্ষণিক তদারকি ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে উদ্ধার, ত্রাণ, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গৃহীত ১০টি উদ্যোগ


১. সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও সমন্বয়

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে নিয়মিতভাবে দুর্যোগ পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া।


২. আশ্রয়কেন্দ্র চালু

চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্গত এলাকায় এখন পর্যন্ত ১,০৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ১২ হাজারের বেশি মানুষ নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ কর


৩. ত্রাণ সহায়তা বিতরণ

জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩,৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হ


৪. জরুরি সেবার নিশ্চয়তা

দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছ


৫. উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার

জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হ


৬. জনপ্রতিনিধিদের মাঠপর্যায়ে উপস্থিতি

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন, ত্রাণ বিতরণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে সরাসরি মাঠে অবস্থান করছ


৭. রাষ্ট্রীয় সমন্বিত উদ্যোগ

দুর্গত মানুষের সহায়তায় বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে মাঠে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোস্টগার্ড কেন্দ্র থেকে মাঠপর্যায় পর্যন্ত সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পাল


৮. এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।



৯. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে প্রশাসন

হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানানো এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি পরিদর্শন ক



১০. দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উদ্যোগ

টানা বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম–দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে আবাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।



সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক উদ্যোগ এবং সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

রেছেন।