
এর আগে কেবল ১৯৯৭ সালে এমন শক্তিশালী এল নিনো দেখা গিয়েছিল। সেই সময়ে এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তীব্র খরা, বন্যা এবং নানা ধরনের চরম আবহাওয়া তৈরি হয়েছিল।
গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া গবেষণা সংস্থা নোয়ার (NOAA) বিজ্ঞানী ন্যাট জনসন একটি চমকপ্রদ তথ্য জানতে পারেন। তিনি তাঁর জলবায়ু মডেল বা পূর্বাভাস দেওয়ার কম্পিউটার প্রোগ্রাম থেকে এ তথ্য পান। প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব দিকের ক্রান্তীয় অঞ্চলের পানি যখন অস্বাভাবিক গরম হয়ে যায়, তখন বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন ঘটে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় এল নিনো। তবে ন্যাট জনসনের কম্পিউটার মডেলটি এবার একটি বড় পূর্বাভাস দিয়েছে। মডেল ডেটা অনুযায়ী, ১৯৯১ সালের পর এবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শক্তিশালী এল নিনো তৈরি হতে যাচ্ছে।
এর আগে কেবল ১৯৯৭ সালে এমন শক্তিশালী এল নিনো দেখা গিয়েছিল। সেই সময়ে এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তীব্র খরা, বন্যা এবং নানা ধরনের চরম আবহাওয়া তৈরি হয়েছিল। তাই মডেলের তথ্য দেখে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এবারও আবহাওয়া অনেক অস্বাভাবিক রূপ নিতে চলেছে।
সেই পূর্বাভাসের সত্যতা এখন প্রমাণিত হচ্ছে। নোয়ার সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, এল নিনো ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। মহাসাগরের উষ্ণ পানি এখন পেরুর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। যেখানে সাধারণত ঠান্ডা পানি থাকার কথা ছিল। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এ বছরের শেষের দিকে এই এল নিনোটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে প্রায় ৬৩ শতাংশ, যা গত মে মাসের পূর্বাভাসের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।