সর্বশেষ
খবরে প্রকাশ, Russian teenager Mirra Andreeva wins French Open to claim first Grand Slamদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Which sub-Saharan Africa sides have best World Cup chance? Senegal, Ghana?খবরে প্রকাশ, 100 days into the war on Iran, Trump fails to rally US support‘Unacceptable situation’: Minister cries foul as Jamaica suffers blackoutFrom first lady to president? Inside the rise of Peru’s Keiko Fujimoriসূত্রের খবর অনুযায়ী, Israeli attack on Gaza City tent camp kills several Palestiniansনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Palestinian father buries baby killed by Israeli gunfire in West Bankসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Video shows Israeli soldier and settlers assaulting two Palestiniansখবরে প্রকাশ, Russian teenager Mirra Andreeva wins French Open to claim first Grand Slamদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Which sub-Saharan Africa sides have best World Cup chance? Senegal, Ghana?খবরে প্রকাশ, 100 days into the war on Iran, Trump fails to rally US support‘Unacceptable situation’: Minister cries foul as Jamaica suffers blackoutFrom first lady to president? Inside the rise of Peru’s Keiko Fujimoriসূত্রের খবর অনুযায়ী, Israeli attack on Gaza City tent camp kills several Palestiniansনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Palestinian father buries baby killed by Israeli gunfire in West Bankসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Video shows Israeli soldier and settlers assaulting two Palestinians
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

ওড়না-পায়জামায় শ্বাসরোধে তিনজনকে হত্যা, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৬
ওড়না-পায়জামায় শ্বাসরোধে তিনজনকে হত্যা, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি



খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকায় নানি ও দুই নাতিকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার শিশু দুটির সৎবাবা ট্রাকচালক রফিকুল ইসলাম (৩৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি আদালতে জানিয়েছেন, গলায় ওড়না ও পায়জামা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তিনজনকে হত্যা করেছেন।


শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল। তিনি জানান, মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এ পর্যন্ত রফিকুল ছাড়া অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি।


তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের দিন রাতে শাশুড়ি বেবী বেগমের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বেবী বেগম তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রফিকুল আবার ওই বাসায় গেলে বেবী বেগম তাকে দেখে গালাগাল শুরু করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রফিকুল তাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।


এ সময় ঘটনাটি দেখে ফেলে ১৩ বছর বয়সী শামীম ব্যাপারী। পরে তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। শামীমের চিৎকারে ঘুম থেকে জেগে ওঠা চার বছর বয়সী মুস্তাকিম ঘটনাটি দেখে ফেললে ট্রাঙ্কের ওপর থাকা একটি পায়জামা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকেও হত্যা করেন রফিকুল।


জবানবন্দি অনুযায়ী, হত্যার পর বেবী বেগমের মরদেহ খাটের নিচে, শামীমের মরদেহ ট্রাঙ্কের ওপর এবং মুস্তাকিমের মরদেহ ওয়ারড্রোবের ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে ঘরের একটি কক্ষ ও মূল দরজায় তালা দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে যান তিনি।


পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় রফিকুলের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে উঠে তিনি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে রফিকুল দরজা খুলে দিয়ে তাকে জানান, তার মা বেবী বেগম বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। দুপুরে বাসায় খাওয়াদাওয়া করার পর ঘরের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে তালা কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় রফিকুল সেখান থেকে চলে যান।


পরে তিনি সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, দৌলতপুর ও ফুলবাড়ী গেট এলাকায় অবস্থান করে রাতে বরিশালের উদ্দেশে খুলনা ত্যাগ করেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল নগরের কাশীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। শুক্রবার সকালে তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।


জিজ্ঞাসাবাদের শুরুতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও পরে দায় স্বীকার করেন রফিকুল। এরপর আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। শনিবার দুপুরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।


গত ৩০ মে খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা থানার তমিজউদ্দিন সড়কের দারুস আমান মহল্লার একটি ভাড়া বাসা থেকে বেবী বেগম (৫৫), তার নাতি শামীম ব্যাপারী (১৩) ও মুস্তাকিমের (৪) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন নিহত দুই শিশুর বাবা মাসুম ব্যাপারী সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় চার বছর আগে ফাতেমা বেগমের সঙ্গে মাসুম ব্যাপারীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে ফাতেমা বেগম ট্রাকচালক রফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন। তবে ফাতেমার মা বেবী বেগম ওই বিয়ে মেনে নেননি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল এবং রফিকুলকে বাসায় যেতেও নিষেধ করেছিলেন তিনি।