সর্বশেষ
ব্যাংককে চিকিৎসাধীন আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে গেলেন জামায়াত আমির।গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তান সহ ৫ জনকে হত্যা।কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত।ত্রাণের টিন ও টাকা বিএনপি নেতাদের ঘরে, সমালোচনার মুখে ফেরত দিলেন।সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতির ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই!চার দশক ধরে পড়ে আছে তেঁতুলিয়া তেল খনি।দারিদ্র্য বিমোচনের নামে এনজিওগুলো গরিবদের ঋণের জালে আটকে ফেলছে: এম এম আকাশযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলায় আবার সংঘাত শুরুর শঙ্কাব্যাংককে চিকিৎসাধীন আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে গেলেন জামায়াত আমির।গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তান সহ ৫ জনকে হত্যা।কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত।ত্রাণের টিন ও টাকা বিএনপি নেতাদের ঘরে, সমালোচনার মুখে ফেরত দিলেন।সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতির ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই!চার দশক ধরে পড়ে আছে তেঁতুলিয়া তেল খনি।দারিদ্র্য বিমোচনের নামে এনজিওগুলো গরিবদের ঋণের জালে আটকে ফেলছে: এম এম আকাশযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলায় আবার সংঘাত শুরুর শঙ্কা
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

নেজামে ইসলাম পার্টির আমির আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজীর ইন্তেকাল

প্রকাশিত: ৮ মে, ২০২৬
নেজামে ইসলাম পার্টির আমির আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজীর ইন্তেকাল


চট্টগ্রামের প্রবীণ আলেম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।



শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।



পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও সাত মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।



মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া গ্রামের নয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ হাকিমবক্স চৌধুরী পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

স্থানীয় কওমি মাদ্রাসায় প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের


পর তিনি আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষাতেও ডিগ্রি অর্জন করেন।



ছাত্রজীবনে তিনি জমিয়তে তোলাবায়ে আরাবিয়া মুসলিম ছাত্র পরিষদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি পদুয়া আল জামিয়াতুল আনোয়ার হেমায়েতুল ইসলাম মাদ্রাসাসহ একাধিক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮৪ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৭ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দলের মজলিসে শুরার সভায় তিনি দলটির কেন্দ্রীয় আমির নির্বাচিত হন।



এছাড়া তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির, শাহ ওয়ালীউল্লাহ একাডেমি চট্টগ্রামের পরিচালক এবং জামিয়াতুল আনোয়ার হেমায়েতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসা, পদুয়ার মহাপরিচালকের দায়িত্বেও ছিলেন।



তার মৃত্যুতে ইসলামী অঙ্গনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।