সর্বশেষ
ব্যাংককে চিকিৎসাধীন আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে গেলেন জামায়াত আমির।গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তান সহ ৫ জনকে হত্যা।কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত।ত্রাণের টিন ও টাকা বিএনপি নেতাদের ঘরে, সমালোচনার মুখে ফেরত দিলেন।সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতির ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই!চার দশক ধরে পড়ে আছে তেঁতুলিয়া তেল খনি।দারিদ্র্য বিমোচনের নামে এনজিওগুলো গরিবদের ঋণের জালে আটকে ফেলছে: এম এম আকাশযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলায় আবার সংঘাত শুরুর শঙ্কাব্যাংককে চিকিৎসাধীন আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে গেলেন জামায়াত আমির।গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তান সহ ৫ জনকে হত্যা।কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত।ত্রাণের টিন ও টাকা বিএনপি নেতাদের ঘরে, সমালোচনার মুখে ফেরত দিলেন।সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতির ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই!চার দশক ধরে পড়ে আছে তেঁতুলিয়া তেল খনি।দারিদ্র্য বিমোচনের নামে এনজিওগুলো গরিবদের ঋণের জালে আটকে ফেলছে: এম এম আকাশযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলায় আবার সংঘাত শুরুর শঙ্কা
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

লন্ডনের নিউহ্যামে মেয়র নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফরহাদ হোসেন।

প্রকাশিত: ৮ মে, ২০২৬
লন্ডনের নিউহ্যামে মেয়র নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফরহাদ হোসেন।


ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফরহাদ হোসেন। সিলেটের বালাগঞ্জ থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক লন্ডনের নিউহ্যাম কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়ে যুক্তরাজ্যের মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মেয়র হিসেবে নজির স্থাপন করেছেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত যুক্তরাজ্যজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার সকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়ে বিকেলে ফল ঘোষণা করা হয়।

লেবার পার্টির প্রার্থী ফরহাদ হোসেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মির্জাকে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৫৩৮ ভোট। অন্যদিকে মোহাম্মদ মির্জা পেয়েছেন ২০ হাজার ২৩৪ ভোট।

ফল ঘোষণার পরপরই সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। নিউহ্যামের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফরহাদ হোসেনের এই জয়কে তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

তাদের মতে, এই বিজয় শুধু একজন প্রার্থীর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির দীর্ঘদিনের সামাজিক অবদান, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং মূলধারার রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার প্রতিফলন।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগ থেকেই স্থানীয় জনগণের কাছে পরিচিত মুখ ছিলেন ফরহাদ হোসেন। কমিউনিটি উন্নয়ন, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি স্থানীয় সেবার মানোন্নয়ন, তরুণদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং বহুজাতিক সমাজে ঐক্যের বার্তা তুলে ধরেন।

ফরহাদ হোসেনের এই ঐতিহাসিক জয়কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, তার এই সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখাতে ভূমিকা রাখবে।