সর্বশেষ
প্রতিপক্ষের বসতঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা।দুর্নীতির সাথে আপস করতে চাই না: ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী।কুমিল্লায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটকের ১২ ঘণ্টা পর বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম মুক্ত।মটরসাইকেল চুরি করে পালাতে গিয়ে জামায়াত নেতার ছেলের মৃত্যু।আমেরিকান তরুণরা ট্রাম্পের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ৫৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর৩০ বছর আগে আসামির কাছ থেকে উদ্ধার অস্ত্র গায়েব, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ডশ্রীমঙ্গলে নামাজরত অবস্থায় মুসল্লিকে হত্যা, অভিযুক্ত আটকপ্রতিপক্ষের বসতঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা।দুর্নীতির সাথে আপস করতে চাই না: ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী।কুমিল্লায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটকের ১২ ঘণ্টা পর বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম মুক্ত।মটরসাইকেল চুরি করে পালাতে গিয়ে জামায়াত নেতার ছেলের মৃত্যু।আমেরিকান তরুণরা ট্রাম্পের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ৫৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর৩০ বছর আগে আসামির কাছ থেকে উদ্ধার অস্ত্র গায়েব, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ডশ্রীমঙ্গলে নামাজরত অবস্থায় মুসল্লিকে হত্যা, অভিযুক্ত আটক
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ৭০ মুক্তিযুদ্ধার বিবৃতি।

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ৭০ মুক্তিযুদ্ধার বিবৃতি।

‘মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারে কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না’—সংসদে দেওয়া বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-এর এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। সংগঠনটির ৭০ সদস্য স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।


বুধবার দেওয়া ওই বিবৃতিতে পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন এবং সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজিরুল ইসলাম বলেন, সরকারদলীয় এমপি ফজলুর রহমান জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতাদের নিয়ে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা “অপ্রীতিকর ও অসংসদীয়”। এ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।


বিবৃতিতে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধারা জিয়াউর রহমান-এর আহ্বানে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর তারা রাষ্ট্রের অধীনে থেকে ভাতা পাচ্ছেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।


সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর অনেক মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এ যোগ দেন, কেউ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এ যুক্ত হন। পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে অনেকেই সেখানে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করলে কিছু মুক্তিযোদ্ধা দলটিতেও যুক্ত হন বলে দাবি করা হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে যে কেউ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে থাকা যেকোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। এ প্রেক্ষাপটে ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে “অগ্রহণযোগ্য” এবং “মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী” বলে উল্লেখ করা হয়।


এছাড়া কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার আইয়ুব বিন হায়দার-এর বরাতে বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ফজলুর রহমান প্রশিক্ষণ নিলেও মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অস্ত্র হাতে নেননি এবং তিনি কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন না।


বিবৃতিতে পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফজলুল হক, সহসভাপতি আবদুল ওয়ারেছ, ডা. আলতাফ হোসেন, শাহাবুদ্দিন, মতিউর রহমানসহ ৭০ জন সদস্য স্বাক্ষর করেন।