সর্বশেষ
নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।বাংলাদেশে পেপ্যাল সার্ভিস চালু নিয়ে আলোচনা, কী সুবিধা আর কী ঝুঁকিমধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরানের পাশে বাংলাদেশ, জরুরি ঔষধ সামগ্রী হস্তান্তর।ভারতের মানুষ আমেরিকায় আসে শুধু সন্তান জন্ম দিতে: ট্রাম্পপঞ্চগড়ে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ৮ ঘণ্টা পর দুই শিক্ষার্থীকে ফেরত এনেছে বিজিবি।৬৬০পিস ইয়াবা সহ বিএনপি নেতা সোনামিয়া গ্রেফতার।৬০০ পিস ইয়াবা সহো বিএনপি নেতা সোনামিয়া আটক।৭ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে জাতীয় সংসদের গ‍্যালারির নামকরণ।নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।বাংলাদেশে পেপ্যাল সার্ভিস চালু নিয়ে আলোচনা, কী সুবিধা আর কী ঝুঁকিমধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরানের পাশে বাংলাদেশ, জরুরি ঔষধ সামগ্রী হস্তান্তর।ভারতের মানুষ আমেরিকায় আসে শুধু সন্তান জন্ম দিতে: ট্রাম্পপঞ্চগড়ে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ৮ ঘণ্টা পর দুই শিক্ষার্থীকে ফেরত এনেছে বিজিবি।৬৬০পিস ইয়াবা সহ বিএনপি নেতা সোনামিয়া গ্রেফতার।৬০০ পিস ইয়াবা সহো বিএনপি নেতা সোনামিয়া আটক।৭ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে জাতীয় সংসদের গ‍্যালারির নামকরণ।
Live Bangla Logo

৭ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে জাতীয় সংসদের গ‍্যালারির নামকরণ।

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
৭ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে জাতীয় সংসদের গ‍্যালারির নামকরণ।

জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নাম পরিবর্তন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা বীরশ্রেষ্ঠদের নামে নামকরণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সংসদ ভবনের ভেতরে স্থাপিত নতুন নামফলকগুলোতে এখন স্থান পেয়েছে সাত বীরশ্রেষ্ঠের নাম—

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্যালারি এবং বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ গ্যালারি।


এর আগে গ্যালারিগুলোর নাম ছিল সাধারণ বা ভৌগোলিক ভিত্তিতে নির্ধারিত। নতুন নামকরণের ফলে সংসদ ভবনের প্রতিটি গ্যালারি এখন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছে।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সংসদে আগত দর্শনার্থীদের মধ্যেও স্বাধীনতা সংগ্রামের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আরও দৃঢ় হবে।


বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় সংসদে এই নামফলক স্থাপনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে আরও দৃশ্যমান ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।