সর্বশেষ
কল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তরকল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

২৫ বছর পরও নিষ্পত্তি হয়নি রমনা বটমূলে বোমা হামলার হত্যা মামলা

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
২৫ বছর পরও নিষ্পত্তি হয়নি রমনা বটমূলে বোমা হামলার হত্যা মামলা

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বোমা হামলার পর দায়ের করা হত্যা মামলাটি দীর্ঘ ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হতে পারেনি। ওই ঘটনায় ১০ জন নিহত হন এবং ঘটনাটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সহিংসতার একটি মর্মান্তিক অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

বোমা হামলার সাত বছর পর, ২০০৮ সালে পুলিশি তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করে। তবে বিচার প্রক্রিয়া জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা এবং একাধিক রিটার্ন ও আপিলের কারণে মামলাটি এখনও নিষ্পত্তিপ্রাপ্ত হয়নি।

বিচারাধীন মামলাটির অধিকাংশ দিক কাঠামোগত ও আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান প্রক্রিয়ায় সাক্ষী ও বিচারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং আসামিদের উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনাও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে দুর্ঘটনাটির বিচারিক নিষ্পত্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি এখনও পূরণ হয় নি, যা নিহতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের মাঝে দুঃখ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে।

এই মামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু সমাধান দাবিতে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে আন্দোলন ও প্রতিকারমূলক উদ্যোগ নিতে বলা হচ্ছে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বর্বরতা আর কখনো সংঘটিত না হতে পারে এবং সকল ক্ষতিগ্রস্ত ও সমাজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

বিস্তারিত