সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটিসূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটি
Live Bangla Logo

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, পাম্পের সামনে লম্বা লাইন।

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৬
জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ, পাম্পের সামনে লম্বা লাইন।

সারা দেশে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। পাম্পগুলোতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে মোটরসাইকেলসহ অন্য যানবাহনের চালকদের। পাশাপাশি জারিকেন ও বোতল নিয়েও অনেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন। ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প মালিক, শ্রমিক এবং প্রশাসনের নিয়োগ দেওয়া ব্যক্তিরা। জেলার বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এদিকে, তেলের সংকটের জন্য সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন ভোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে খোলাবাজারে। এছাড়া ইটভাটাগুলোতে ড্রামে ভরে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখা হয়েছে। সেখানে অভিযান চালালেই হাজার হাজার ড্রাম পাওয়া যাবে।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে তেলের পাম্পে কর্মরত একাধিক শ্রমিক বলেন, একটি মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার পাঁয়তারা করছে। অনেক তেল পাম্পের মালিক তাদের নিজস্ব ইটভাটা এবং অন্যান্য ভাটা মালিকের সঙ্গে যোগসাজশে হাজার হাজার লিটার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল ভাটায় মজুত করে রেখেছেন। সেখান থেকে কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রশাসন ভাটাগুলোয় অভিযান পরিচালনা করলেই জ্বালানি তেলভর্তি শত শত ড্রাম বেরিয়ে আসবে বলে তারা দাবি করেন।


পাম্পে জ্বালানি তেল কিনতে আসা কয়েকজন বলেন, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পাম্প মালিকেরা বেশি লাভের আশায় তেল মজুত করে বাজারে সংকট সৃষ্টি করেছেন। বেশি টাকা দিলে খোলাবাজারে ঠিকই জ্বালানি তেল মিলছে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ নগরীর শাপলা চত্বর, চারতালা মোড়, মডার্ন মোড়, টার্মিনাল ও ব্যাংকের মোড় ঘুরে দেখা যায়, তেল নিতে পাম্পের সামনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছেন না তারা।


রংপুর মোটর মালিক সমিতির সভাপতি রাজ মিয়া বলেন, পেট্রোল পাম্পগুলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অজুহাত দেখিয়ে পরিবহনগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করায় অনেক ক্ষেত্রে পরিবহন মালিকদের সুবিধা হয়েছে।

শাহ ফিলিং স্টেশনের মালিক বকুল শাহ বলেন, ‘আমরা ঠিকমতো পেট্রোল ও অকটেন পাচ্ছি না। আমার দুটি পাম্পের লাইসেন্স আছে। একটিতে তেল দেওয়া হলেও আরেকটিতে দেওয়া হচ্ছে না।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাম্পগুলোতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান চলমান রয়েছে। কোনো পাম্প মালিক জ্বালানি তেল গোপন রাখার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, জেলার ৮৫টি তেলের পাম্পে বুধবার পর্যন্ত পেট্রোল মজুত ছিল ২৬ হাজার ৫০০ লিটার, অকটেন ৩ হাজার ৫০০ লিটার এবং কেরোসিন ২৭ হাজার লিটার। তবে ডিজেলের কোনো মজুত নেই বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।