নিউজ
পড়া হচ্ছে...
ইরান–ইসরায়েল সংঘাত চরমে: নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার পর নেতানিয়াহুর বর্তমান অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ‘খাইবার শিকান’ নামের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা তাদের ঘোষিত প্রতিশোধমূলক অভিযানের দশম ধাপ। হামলার পর ইরান জানায়, নেতানিয়াহুর পরিস্থিতি এখনো স্পষ্ট নয়।
বর্তমান সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে কথিত এক যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর দাবি ওঠে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এবং তাদের মিত্র বাহিনী ইসরায়েলসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ দেয়নি এবং নেতানিয়াহুর অবস্থা সম্পর্কেও কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে সংঘাতের প্রভাব পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাতের ফলে পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে তেজস্ক্রিয় নিঃসরণ বড় ধরনের মানবিক ও পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
অন্যদিকে সিরিয়ার আইন তুরমা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকজন সাধারণ মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সার্বিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক, এবং বিশ্বশক্তিগুলো গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া