রাজনীতিতে ভণ্ডামি চললেও জমিয়তে ইসলামীর এমন ভণ্ডামি অনাকাঙ্ক্ষিত।

মুফতি হারুন ইজহার বলেছেন, রাজনৈতিক ও জিও–পলিটিক্যাল কৌশলগত কারণে বিএনপির সঙ্গে জোট করা যেতে পারে; তবে তা আদর্শিক মিল থেকে নয়। এ ধরনের কৌশলগত অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ আছে এবং বৃহত্তর ইসলামী স্বার্থে শরঈ দালিলিকতা তুলে ধরে ইজতিহাদও করা যেতে পারে। তাঁর মতে, নিয়্যত সহীহ হলে ইজতিহাদ ভুল হলেও আল্লাহর কাছে দায় থাকে না।
তবে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক মৌসুমে আকীদাহ, শরীয়ত ও হক–বাতিলের কথা তুলে ধরে সেক্যুলার বিএনপির সঙ্গে অবস্থান নিয়ে জামায়াতের বিরোধিতা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা উল্টো সংশ্লিষ্টদের জন্য বুমেরাং হতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ‘শত আলেমের বিবৃতি’ আংশিকভাবে ভুয়া প্রমাণিত হতে শুরু করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
মুফতি হারুন ইজহার আরও বলেন, রাজনীতির বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না। তাঁর ভাষায়, আপত্তি রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে নয়; বরং সেই অবস্থানের পক্ষে ভণ্ডামির আশ্রয় নেওয়ার বিরুদ্ধে।
তিনি মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে ভণ্ডামি চললেও ইসলামী রাজনীতিতে এমন ভণ্ডামি অনাকাঙ্ক্ষিত।