সর্বশেষ
“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলানাজমুলের সেঞ্চুরির পর মোস্তাফিজের ৫ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশঘরেই বানান মজাদার আফলাতুন, দেখুন রেসিপি‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলানাজমুলের সেঞ্চুরির পর মোস্তাফিজের ৫ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশঘরেই বানান মজাদার আফলাতুন, দেখুন রেসিপি‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

ভারতীয় হাইকমিশনারকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণার যৌক্তিকতা রয়েছে: তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
ভারতীয় হাইকমিশনারকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণার যৌক্তিকতা রয়েছে: তদন্ত প্রতিবেদন

ঢাকা, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার আচরণ নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে যে তার কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের পক্ষে তাকে পার্সোনা নন গ্রাটা (অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি) ঘোষণা করার যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে। 1

তদন্ত অনুসারে, ২০২৪ সালের জুলাই বিদ্রোহের সময়, যখন দেশে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চলছিল, তখন হাইকমিশনার ভার্মা আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে ফোনালাপ করেন। ১৯ জুলাই ২০২৪-এ দুপুর ১২:৪৮ মিনিটে ভার্মা কামালকে ৬৫ সেকেন্ডের একটি কল করেন। সেই দিনই ৫৬ জন নিহত হন, যার মধ্যে ৪৬ জন ঢাকায়। একই দিনে তিনজন বিদ্রোহী নেতা—নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ শজীব ভূঁইয়া এবং আবু বাকের মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে, ৫ আগস্ট ২০২৪-এ দুপুর ১২:৫৮ মিনিটে কামাল ভার্মাকে ১৫৩ সেকেন্ডের একটি কল করেন—যেদিন গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এছাড়া, ৩১ জুলাই ২০২৪-এ ভার্মা শেখ হাসিনার সঙ্গে ঢাকায় সাক্ষাৎ করেন এবং পরে ভারতীয় মিডিয়ায় বলেন যে বাংলাদেশে “ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিকতা ফিরে আসছে” এবং ভারত স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য সমর্থন জানাচ্ছে। কিন্তু সেই সময়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদন অনুসারে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ১৩ শতাংশ শিশু। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অধিকাংশ মৃত্যু ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। 1

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ভার্মার এই যোগাযোগ এবং বিবৃতি মানবতাবিরোধী অপরাধের সময়ে নিরপেক্ষতা লঙ্ঘন করেছে এবং এটি সরকারের কর্মকাণ্ডকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করার মতো। ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস (১৯৬১)-এর আর্টিকেল ৯ অনুসারে, হোস্ট দেশ যেকোনো সময় কোনো কূটনীতিককে পার্সোনা নন গ্রাটা ঘোষণা করতে পারে, যদি তার প্রতি আস্থা হারিয়ে যায়। 1

এই তদন্ত কয়েক মাস ধরে চালানো হয়েছে এবং যোগাযোগ, সাক্ষাৎ, বিবৃতি এবং সমকালীন প্রতিবেদন যাচাই করা হয়েছে। ভার্মাকে তার মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে, কিন্তু কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনটি জোর দিয়ে বলেছে যে এই ঘোষণা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতি রক্ষায় একটি যথাযথ পদক্ষেপ হবে। 1

এই ঘটনা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের উপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে ২০২৪-এর রাজনৈতিক অস্থিরতার পর। সরকার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে এটি দ্বিপাক্ষিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।