নিউজ
পড়া হচ্ছে...
ভেনেজুয়েলা ইউ.এস.-এর সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য গেরিলা শৈলীর প্রতিরোধ কৌশলে প্রস্তুত।

উত্তেজনার মাঝেই ভেনেজুেলার সামরিক বাহিনী স্বীকার করেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আকাশ বা ভূ-আক্রমণ চালায়, তাহলে তারা গেরিলা স্টাইলে প্রতিরোধ বা শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই প্রণয়ন সরকারি দলীয় উৎস ও পরিকল্পনাপত্র পর্যালোচনায় স্পষ্ট হয়েছে।
- সরকারি পরিকল্পনায় দু’টি মুল ধারা রয়েছে— প্রথমটি “দীর্ঘপ্রতিবাদ” নামে পরিচিত গেরিলা রেসিস্ট্যান্স, যেখানে ছোট ইউনিট হিসেবে ২৮০-এরও বেশি স্থানে স্যাবোটাজ ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম হবে।
- দ্বিতীয় ধারা হলো “অ্যানার্কাইজেশন”, যার মাধ্যমে গোয়েন্দা সংস্থা ও শাসকদলের সমর্থকরা রাজধানী কারাকাসসহ শহরাঞ্চলে নিয়ন্ত্রিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, যাতে বিদেশি বাহিনী কার্যকরভাবে চলাচল করতে না পারে।
- তবে পরিকল্পনায় স্বীকারযোগ্যভাবে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার সামরিক ব্যবস্থা সীমিত সক্ষমতায় রয়েছে—প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি ও ব্যক্তিবলের ঘাটতি রয়েছে। এক সূত্র বলেছে, “আমরা সাধারণ যুদ্ধের ক্ষেত্রে দুই ঘণ্টাও টিকবো না।”
- এই সংবাদ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ক্যারিবীয় এলাকায় বৃহৎ সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে এবং ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধাদেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
প্রেক্ষাপট
ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা রয়েছে। মাদুরো প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে; অপরপক্ষে ভেনেজুয়েলার সরকার পুনরায় বলছে, তাদের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে রয়েছে। এই সঙ্কটের মধ্যেই এই ধরনের প্রতিরোধ পরিকল্পনার তথ্য সামনে এসেছে।
সম্ভাব্য প্রভাব
- যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে কারাকাসসহ বড় শহরগুলোতে ঘোরালো নিরাপত্তা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই অবস্থা বিশ্বশান্তি ও সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পথ খুলে দিতে পারে।
- ভেনেজুয়েলার সীমিত সামরিক সক্ষমতা বিবেচনায়, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে, ফলে আশঙ্কা রয়েছে যে এই কৌশল বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।