
গাজীপুরের টঙ্গীতে মসজিদের ইমাম ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় তাঁকে অপরহণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ায় সংগঠনটির নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসসহ বিশ্বজিৎ চত্বর ঘুরে ক্যাম্পাসের ভাস্কর্য চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ইসকন শুধু কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়। তারা দেশের জনগণের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে হুমকিস্বরূপ কাজ করছে। তারা দাবি করেন, ইসকনের কাজকর্ম দেশের সামাজিক ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে রাষ্ট্রীয়ভাবে এ সংগঠনটির কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইব্রাহীম খলীল বলেন, ইসকন সারা দেশে ফ্যাসিবাদের আচরণ করে যাচ্ছে। তারা টঙ্গীতে ইমাম ইসকণের বক্তব্য রাখায় তাকে অপহরণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের মালয়েশিয়া, চীন, আফগানিস্তান সহ বিভিন্ন দেশে তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারা সম্প্রীতি নষ্ট করছে।
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, আর কত অপকর্ম করলে তাঁদের নিষিদ্ধ করবেন। আমেরিকার আদালতে তাদের ৪০০ জনকে ধর্ষনের জন্য ক্ষমা চাইতে হয়েছে। ইসকন একটা উগ্র সংগঠন। তারা দেশের শিশুদের খাবারের কথা বলে হরে কৃষ্ণ স্লোগান দেয়ায়। হে চিন্ময়, তোমাদের বলে দিতে চাই, তোমাদের এজেন্ডা এ দেশে বাস্তবায়িত হবে না।