সর্বশেষ
সুবর্ণা ঠাকুরকে বিএনপির মনোনয়ন: “ইউ হ‍্যাভ টু বুঝতে হবে, সবার আগে ইন্ডিয়া”।বান্দরবান আওয়ামী লীগের পিপি মাধবী মারমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন।আওয়ামী লীগ নেত্রীর মেয়ে হচ্ছেন বিএনপির এমপিজুলাইয়ের শিশু শহিদ জাবির ইব্রাহীমের মাকে সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন দিলো জামায়াত।শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মহাপরিচালক পদে নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পরদিনই ওএসডি।বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অজুহাতে মসজিদে তালা ঝুলিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসন।সিলেটে শিগগিরই ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল চালু করা হবে: বানিজ্য মন্ত্রীবিএনপির সংরক্ষিত এমপি হলেন আওয়ামী লীগের সুবর্ণা ঠাকুর।সুবর্ণা ঠাকুরকে বিএনপির মনোনয়ন: “ইউ হ‍্যাভ টু বুঝতে হবে, সবার আগে ইন্ডিয়া”।বান্দরবান আওয়ামী লীগের পিপি মাধবী মারমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন।আওয়ামী লীগ নেত্রীর মেয়ে হচ্ছেন বিএনপির এমপিজুলাইয়ের শিশু শহিদ জাবির ইব্রাহীমের মাকে সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন দিলো জামায়াত।শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মহাপরিচালক পদে নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পরদিনই ওএসডি।বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অজুহাতে মসজিদে তালা ঝুলিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসন।সিলেটে শিগগিরই ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল চালু করা হবে: বানিজ্য মন্ত্রীবিএনপির সংরক্ষিত এমপি হলেন আওয়ামী লীগের সুবর্ণা ঠাকুর।
Live Bangla Logo

জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এনসিপি: রাশেদ খান।

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এনসিপি: রাশেদ খান।

জুলাই জাতীয় সনদের আইনগত ভিত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এমন অভিযোগ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে জুলাই সনদকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হবে। এবিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দল আপত্তি জানায়নি।”

তিনি জানান, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি দিতে সরকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবে এবং গণভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদন করবে। এরপর সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়গুলো অনুমোদন পাবে।

রাশেদ খান বলেন, “এর মাধ্যমে আগামী সংসদ একইসাথে দুটি দায়িত্ব পাবে—একদিকে সংসদীয় ক্ষমতা, অন্যদিকে গাঠনিক ক্ষমতা (Constituting Power)।”

তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরামর্শে জাতীয় ঐক্যমত কমিশন বড় পরিসরে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, যাতে পুরো জাতিকে এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এটিকে তিনি “ড. ইউনূসের সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত” বলে অভিহিত করেন।

এনসিপির সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, “সরকারের সঙ্গে এনসিপির দূরত্ব তৈরি হওয়ায় তারা এখন সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যেমনটা তারা উপদেষ্টাদের ‘সেইফ এক্সিট’ ইস্যুতে করেছে। অথচ উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা—যারাই আজকের এমসিপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “নাহিদ ইসলাম নিজেই একসময় বলেছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬ সদস্যের লিয়াজোঁ কমিটির পরামর্শেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। সেই সরকারের সঙ্গেই এখন তাদের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে—এর দায় কি অন্যরা নেবে?”

রাশেদ খান পরামর্শ দিয়ে বলেন, “আমি এনসিপির নেতাদের বলব, আপনারা নিজেরাই যাদের দিয়ে সরকার গঠন করেছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাগুলো মিটিয়ে নিন। জনগণকে বিভ্রান্ত করতে আইনগত ভিত্তির মতো ফাঁকা যুক্তি সামনে আনবেন না।”

তিনি আরও যোগ করেন, “এই আয়োজনের লক্ষ্যই হলো আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং পুরো জাতিকে প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা। এতে এনসিপি সহযোগিতা করলে তারা একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে সবার প্রশংসা পেত। কিন্তু তারা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ধরে রাখতে হঠকারিতা করছে।”

শেষে তিনি বলেন, “আজ অনেকে বিভ্রান্ত হলেও, অচিরেই যখন প্রমাণ হবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার ঠিক ছিলেন, তখন এনসিপির নেতারাই এই ছেলেমানুষির জন্য আফসোস করবেন।”