সর্বশেষ
চোখের পাপ থেকে বাঁচার ৫ আমলটাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন পিএসজিবর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা ও হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ সেলিম উদ্দিনেরফেনীতে চাঁদাবাজদের ‘পিটিয়ে মারার’ আহ্বান বিএনপির এমপি জয়নালহাজারতম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারাল পাকিস্তানচোখে দেখেন না, প্রধানমন্ত্রীকে ছুঁয়ে দোয়া করলেন নূরজাহানভাটারায় উদ্ধার হওয়া নারীর মরদেহে খুনের আলামত, স্বামী পলাতকপ্রধানমন্ত্রী এমপিদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তিনিই বিপদে পড়বেন: কর্নেল অলিচোখের পাপ থেকে বাঁচার ৫ আমলটাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন পিএসজিবর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা ও হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ সেলিম উদ্দিনেরফেনীতে চাঁদাবাজদের ‘পিটিয়ে মারার’ আহ্বান বিএনপির এমপি জয়নালহাজারতম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারাল পাকিস্তানচোখে দেখেন না, প্রধানমন্ত্রীকে ছুঁয়ে দোয়া করলেন নূরজাহানভাটারায় উদ্ধার হওয়া নারীর মরদেহে খুনের আলামত, স্বামী পলাতকপ্রধানমন্ত্রী এমপিদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তিনিই বিপদে পড়বেন: কর্নেল অলি
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

মিশরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে বিশ্ব নেতারা গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
মিশরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে বিশ্ব নেতারা গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

শার্ম এল-শেখ শান্তি চুক্তি: গাজায় যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হিসেবে বিশ্ব নেতারা একত্রিত

শার্ম এল-শেখ, ১৪ অক্টোবর ২০২৫: মিশরের শার্ম এল-শেখে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক শান্তি সম্মেলনে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে বিশ্ব নেতারা গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তিকে ‘গাজা শান্তি সম্মেলন’ বলে অভিহিত করা হয়েছে, যা ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে।

সম্মেলনে ২০টিরও বেশি বিশ্ব নেতা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ এল-সিসি, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি এবং অন্যান্য আরব ও পশ্চিমা নেতারা। চুক্তির প্রথম পর্যায়ে জিম্মি মুক্তি, ফিলিস্তিনি বন্দী ছাড়া, মানবিক সাহায্য প্রদান এবং যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির নতুন যুগ’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত যা দীর্ঘদিনের সংঘর্ষের অবসান ঘটাবে।” সম্মেলনে ২০-দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা গাজার পুনর্গঠন এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের দিকে অগ্রসর হবে।

কাতারের আমির শেখ তামিম এই সম্মেলনের ফলাফলকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি গাজার জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে এবং ফিলিস্তিনি সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সাহায্য করবে। অন্যান্য নেতারা যেমন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীও এই চুক্তির প্রশংসা করেছেন।

এই চুক্তি ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে, যদিও জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে যে গাজায় এখনও জরুরি সাহায্য প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এই চুক্তির বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, কিন্তু এটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।