সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের ক্ষমতা রয়েছে ট্রাইব্যুনালের: তাজুল ইসলাম

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গুমের মামলায় হেফাজতে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়ে আইনি মতামত চাইলে তা দেওয়া হবে। তবে আইন অনুযায়ী, কোনো আসামিকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করা বাধ্যতামূলক। এরপর আদালতই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।’
চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানা সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী গুম ও খুনে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করার এখতিয়ার এই আদালতেরই রয়েছে। এই আইনের বিধান চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই।’
এর আগে গত শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেনা সদস্যদের মামলা সংক্রান্ত এক ব্রিফিংয়ে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, ট্রাইব্যুনালের চার্জশিটে নাম থাকা সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর কাছে গুমের মামলার কোনো পরোয়ানার কপি পৌঁছায়নি বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সাবেক ও বর্তমান মিলে মোট ২৫ জন কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এলপিআর-এ থাকা একজন এবং চাকরিতে থাকা ১৫ জনসহ মোট ১৬ জনকে সেনা সদরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছিল। ৯ অক্টোবরের মধ্যে হাজিরার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ছাড়া বাকি ১৫ জনই উপস্থিত হয়েছেন।
এদিকে, ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মামলার প্রথম দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, বিচার কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচারের সময় সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।