
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে অতিথিদের পূর্বনির্ধারিত এক্সিট টার্মিনাল ছিলো আট। সেখানে কয়েকশন শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলো বিএনপি , জামায়াত ও এনসিপি দলের।
কিন্তু কনস্যুলেটের যারা দায়িত্বে ছিলো তারা ভিসা জটিলতার অজুহাত দিয়ে তাদের পরিকল্পিত ভাবে অতিথিদের নিয়ে বের হয়েছে টার্মিনাল চার দিয়ে। যেখানে আ.লীগের সদস্যরা আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন, তারা আট নাম্বার টার্মিনালে যাননি।
এই গোপন খবর আওয়ামীলীগের সদস্যরা নিউইয়র্ক কন্স্যুলেট থেকে পেয়েছেন। তাছাড়া নিউইয়র্কে ডক্টর ইউনুস এর সফর কো-অরডিনেশনের দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা সকলে আওয়ামী লীগের সমর্থক। প্রচারে না আসা সেই সকল বাংলাদেশী কন্সুলেটের কর্মকর্তাদের পরিচয়টা একটু জেনে নেই-
১. শোয়াইব আব্দুল্লাহ, সেক্রেটারি (কাউন্সিলর)
সাবেক সহ সম্পাদক ( এফ রহমান হল বা জহুরুল
হক হল ) ছাত্র লীগ (নাজমুল সিদ্দিকী কমিটি)
তিনি ছিলেন ডক্টর ইউনুসের সফরের নিরাপত্তা প্রোটোকল এর দায়িত্বে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন বলে শুনা যাচ্ছে।
উনার উইয়র্কে পোস্টিং হয় আওয়ামী সরকারের আমলে। আওয়ামী সরকারের পতনের পর তাকে নেপাল পোস্টিং করা হয়, কিন্তু তিনি রাষ্ট্রদূত কে দিয়ে অর্ডার কেন্সেল করে নিউইয়র্ক থেকে যান।
২. সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী - রাষ্ট্রদূত
২০১৮ সালের রাতের ভোটের একজন পরোক্ষ সহযোগি, তিনি সে সময় ফরেন মিনিস্ট্রির মহা পরিচালক ছিলেন. ভোট পরবর্তী বাংলাদেশে অবস্থিত সকল ডিপ্লোম্যাট দের ব্রিফিং করেন এবং রাতের ভোটের ঘটনা ধামা চাপা দেন, এই জন্য পুরস্কার স্বরূপ উনাকে রাষ্ট্রদূত করা হয়।
৩. শাহ আসিফ রহমান (UN মিটিং কোঅর্ডিনেটর)
আওয়ামী সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সেক্রেটারি ছিলেন
এই UN মিটিং এর সকল কিছু উনি কোঅর্ডিনেট করছেন, প্রটোকলে সোহাইব আব্দুল্লাহ কে এসাইনড ও সে করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
বিদেশে উপদেষ্টাদের উপর হামলা ও গতকালের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপর হামলা এর সব গুলোতেই স্থানীয় বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা তথ্য ও পরিকল্পনা দিয়ে সহায়তা করেছেন। এভাবেই আ. লীগের সমর্থকরা প্রশাসনে থেকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।