মানিকগঞ্জে স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই সন্তানের জননী এক নারীকে (২৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় রোববার (৭ জুন) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ঘিওর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা। তার আগের স্বামী প্রবাসে থাকার সময় স্থানীয় এক ইটভাটা শ্রমিকের সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে প্রায় দুই মাস আগে তিনি নিজের দুই সন্তানকে মায়ের কাছে রেখে ওই শ্রমিককে বিয়ে করেন।
শনিবার (৬ জুন) নবদম্পতি মায়ের বাড়িতে গেলে পরিবার ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের বিয়ে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে রওনা হন তারা। এ সময় রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ঘিওরের বাসুদেববাড়ী এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে। এজাহার অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা নারীর স্বামীকে বেঁধে ফেলে এবং তাকে আটকে রেখে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরদিন সকালে ভুক্তভোগী নারী ঘিওর থানায় মামলা করেন। মামলায় একজনকে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আলামত সংগ্রহ ও ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চলছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।