সর্বশেষ
কল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তরকল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর গ্রেপ্তার, পাটখেত থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার

প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬
তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর গ্রেপ্তার, পাটখেত থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার

দুর্নীতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেতাকে ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল বুধবার তাঁর বন্ধু শামীম গাজীর পাটখেত থেকে পাঁচটি বস্তায় রাখা ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।


স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, দীপঙ্করের কাছে আরও টাকা ও সোনার গয়না রয়েছে। সেই সব অবৈধ সম্পদ উদ্ধারের দাবিও তুলেছেন তাঁরা।


দীপঙ্কর তৃণমূলের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। এ ছাড়া স্কুটারও চালাতেন। পরে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তিনি ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হয়ে উঠেন। পরে বাদুড়িয়ার পৌরসভার চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন।


স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পে অবাধে ঘুষ নিতেন দীপঙ্কর। আবাসন প্রকল্প থেকে শুরু করে রেশন কার্ড, লক্ষ্মীর ভান্ডার, বেকার ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, গরিবদের আবাসন প্রকল্প—সব ক্ষেত্রেই তিনি দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নিতেন। ঘুষ ছাড়া তিনি কোনো কাজই করতেন না।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসার পর চেয়ারম্যান পদ থেকে দীপঙ্করের অপসারণ চেয়েছেন স্থানীয়দের একাংশ।