
ছাত্রদলের নতুন ঘোষিত জেলা ও মহানগর কমিটিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ঘোষিত কমিটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা, অছাত্র ও বিবাহিতদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে পদবঞ্চিতদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন জেলায় সড়ক অবরোধ, ঝাড়ু মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাঙামাটিতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে গত শনিবার মধ্যরাতে একযোগে ৪৫টি কমিটি ঘোষণা করে ছাত্রদল। দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং জেলা ও মহানগর পর্যায়ে এসব কমিটি গঠন করা হয়। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিগুলো প্রকাশ করা হয়।
কমিটি ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে।
ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ চারটি ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। গত রোববার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কমিটিতে অছাত্র, ব্যবসায়ী ও নতুন মুখদের পদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া টাকার বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগও তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের অনেককেই কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।