সর্বশেষ
শ্বশুরবাড়িতে জায়াগা না পেয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয়।চট্টগ্রামে সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগার-এ হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুঙ্গ পদত্যাগ করেছেন।দেশে তিন মাসে ৮৫৪টি খুন, শুধু ঢাকায় ১০৭টিদক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ দোকানের সামনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা।যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প।হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরান কাজ করছে।যিশু খ্রিস্টের মুখে হাতুড়ি মারায় ২ সৈনিকের জেল দিলো ইজরায়েল।শ্বশুরবাড়িতে জায়াগা না পেয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয়।চট্টগ্রামে সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগার-এ হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুঙ্গ পদত্যাগ করেছেন।দেশে তিন মাসে ৮৫৪টি খুন, শুধু ঢাকায় ১০৭টিদক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ দোকানের সামনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা।যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প।হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরান কাজ করছে।যিশু খ্রিস্টের মুখে হাতুড়ি মারায় ২ সৈনিকের জেল দিলো ইজরায়েল।
Live Bangla Logo

যিশু খ্রিস্টের মুখে হাতুড়ি মারায় ২ সৈনিকের জেল দিলো ইজরায়েল।

প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল, ২০২৬
যিশু খ্রিস্টের মুখে হাতুড়ি মারায় ২ সৈনিকের জেল দিলো ইজরায়েল।

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে একটি ধর্মীয় ক্রুশ ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত দুই সেনাকে শাস্তি দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। একই সঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতীকটি পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে আইডিএফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানায়, সংশ্লিষ্ট এক সেনা ক্রুশটি ভাঙচুর করেন এবং আরেকজন সেই ঘটনার ছবি তোলেন। তদন্তে তাদের এই আচরণ বাহিনীর নীতিমালা ও মূল্যবোধের পরিপন্থি বলে প্রমাণিত হয়েছে।


ঘটনার জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করে আইডিএফ জানায়, লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে, সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে নয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঘটনার পর স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভাঙা প্রতীকটি পুনঃস্থাপনে সহায়তা করা হচ্ছে।


শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভাঙচুরে জড়িত সেনা এবং ছবি তোলা সেনাকে যুদ্ধ দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে ৩০ দিনের সামরিক আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকেও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া বা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে না জানানো আরও ছয় সেনাকে ব্যাখ্যা দিতে তলব করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা পরে নির্ধারণ করা হবে।


আইডিএফের প্রধান জেনারেল স্টাফ এ ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য আচরণ ও নৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাহিনীর মূল্যবোধ ও প্রত্যাশিত শৃঙ্খলার পরিপন্থী।