সর্বশেষ
জনরোষে পদত্যাগ শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী ও সচিবের।আড়াল থেকে সহযোদ্ধাদের প্রতি মেজর জিয়াউল হকের আহ্বান।আজ ১৮ এপ্রিল: বড়াইবাড়ি দিবস—সীমান্তে বিডিআরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের এক গৌরবগাঁথা।মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা।বিশ্বকাপ ২০২৬-এর টিকিটের দাম নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন ইনফান্তিনোত্রিপুরা পার্বত্য পরিষদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় আদিবাসী দল টিপরা মোথারইরান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ধাক্কার মধ্যে মুনাফা করল কারাপোস্তগোলায় অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যুজনরোষে পদত্যাগ শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী ও সচিবের।আড়াল থেকে সহযোদ্ধাদের প্রতি মেজর জিয়াউল হকের আহ্বান।আজ ১৮ এপ্রিল: বড়াইবাড়ি দিবস—সীমান্তে বিডিআরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের এক গৌরবগাঁথা।মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা।বিশ্বকাপ ২০২৬-এর টিকিটের দাম নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন ইনফান্তিনোত্রিপুরা পার্বত্য পরিষদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় আদিবাসী দল টিপরা মোথারইরান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ধাক্কার মধ্যে মুনাফা করল কারাপোস্তগোলায় অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যু
Live Bangla Logo

লেবাননের যুদ্ধবিরতি কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের নতুন দিগন্ত খুলবে?

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
লেবাননের যুদ্ধবিরতি কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের নতুন দিগন্ত খুলবে?

লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি উপকেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আলোচনা প্রসঙ্গে। এই যুদ্ধবিরতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব সংকট কমিয়ে একটি ব্যাপক অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশাবাদী।

আল জাজিরার সাংবাদিক তোহিদ আসাদি বলেন, লেবাননের এই যুদ্ধবিরতি শুধু দুই পক্ষের সাময়িক সংঘর্ষ বন্ধ করাতেই ক্ষান্ত নয়, এটি বড় পরিসরের কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এক ধরনের ইতিবাচক সংকেত হিসেবে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা বিরাজ করে আসছিল, তা নিরসনে এই প্রেক্ষাপট নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও কোথাও ঘনঘন সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সরাসরি সংলাপ আটকে পড়েছিল। কিন্তু লেবাননের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এক নতুন কূটনৈতিক পরিবেশ গড়ে উঠতে পারে, যেখানে দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য বিস্তৃত আলোচনা সম্ভব হবে।

নিরপেক্ষ দেশগুলোর সহায়তায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যদি এই যুদ্ধবিরতি সফলভাবে দীর্ঘস্থায়ী করে রাষ্ট্রীয় ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথে অগ্রসর হতে পারে, তা হলে এটি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিচুক্তির জন্য এক বড় মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।