সর্বশেষ
এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।Can Japan’s arms industry gain from Trump trust loss?LIVE: Bayern Munich vs Real Madrid – Champions League quarterfinalএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।Can Japan’s arms industry gain from Trump trust loss?LIVE: Bayern Munich vs Real Madrid – Champions League quarterfinal
Live Bangla Logo

পহেলা বৈশাখের আনন্দ শোভাযাত্রায় মূর্তি - মুখোশ দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিতর্কিত?

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
পহেলা বৈশাখের আনন্দ শোভাযাত্রায় মূর্তি - মুখোশ দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিতর্কিত?

পহেলা বৈশাখের আনন্দ শোভাযাত্রায় মূর্বিত- মুখোশ দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিতর্কিত? ধর্মীয় সংবেদনশীলতা বনাম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য!


পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়রে বিতর্ক চলমান রয়েছে। বিশেষ করে শোভাযাত্রায় প্রাণীর মুখোশ ও বিভিন্ন প্রতীকী মূর্তি ব্যবহারের কারণে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের একাংশের মধ্যে ধর্মীয় আপত্তি জোরালো হচ্ছে।


সমালোচকদের দাবি, “শুভ শক্তির আহ্বান” ও “অশুভ শক্তির বিদায়” ধারণাটি ইসলামের বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাদের মতে, ইসলামে এ ধরনের প্রতীকী বিশ্বাস বা আচার নেই; বরং এটি অন্য ধর্মীয় বা লোকাচারভিত্তিক ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে এ ধরনের উপস্থাপন মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করতে 


তারা আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপন একটি সার্বজনীন উৎসব হওয়ায় এতে এমন কোনো উপাদান থাকা উচিত নয়, যা নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি করে। বিশেষ করে প্রাণীর মুখোশ বা মূর্তি ব্যবহারের বিষয়টি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা, যাতে সব ধর্মের মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে অংশ নিতে পারেন।


অন্যদিকে আয়োজকদের বক্তব্য, মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, যার উদ্দেশ্য সমাজে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও ইতিবাচক চেতনা তুলে ধরা। তাদের দাবি, এখানে ব্যবহৃত প্রতীকগুলো ধর্মীয় নয়, বরং বাংলার লোকজ সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ।


উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে চারুকলা অনুষদ-এর উদ্যোগে এই শোভাযাত্রার সূচনা হয় এবং পরবর্তীতে এটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।


বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিতর্ক মূলত ধর্মীয় অনুভূতি ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্যকার ভারসাম্য নিয়ে। একদিকে রয়েছে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি, অন্যদিকে বহু বছরের গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য—এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় নিয়েই এই আয়োজন পরিচালিত হোক।