সর্বশেষ
বান্দরবানের পাহড়ে ২৫০০ একর জায়গায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে ঘিরে প্রশ্নইরানের হামলায় আহত ইসরায়েলির সংখ্যা ২,৫৫৭ ও ১২ জন নিহত।দাজ্জালকে ফেরাতেই ইরানে আক্রমণ; নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড়প্রথম দিনেই সংসদে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হবে অন্তর্বর্তী সরকারের ৩৯ অধ্যাদেশস্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সারসংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস–জাইমাসহ উপস্থিত ছিলেন যারাহরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না ইরান।বাংলাদেশ বিমানের ৪ পাইলটের লাইসেন্সে জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্ত শুরু।বান্দরবানের পাহড়ে ২৫০০ একর জায়গায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে ঘিরে প্রশ্নইরানের হামলায় আহত ইসরায়েলির সংখ্যা ২,৫৫৭ ও ১২ জন নিহত।দাজ্জালকে ফেরাতেই ইরানে আক্রমণ; নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড়প্রথম দিনেই সংসদে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হবে অন্তর্বর্তী সরকারের ৩৯ অধ্যাদেশস্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সারসংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস–জাইমাসহ উপস্থিত ছিলেন যারাহরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না ইরান।বাংলাদেশ বিমানের ৪ পাইলটের লাইসেন্সে জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্ত শুরু।
Live Bangla Logo

কওমি অঙ্গনের এক মুহাক্কিক আলেমকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন মামুনুল হক

প্রকাশিত: ৯ মার্চ, ২০২৬
কওমি অঙ্গনের এক মুহাক্কিক আলেমকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন মামুনুল হক
নাম উল্লেখ না করে কওমি অঙ্গনের এক মুহাক্কিক আলেমকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। সেখানে তিনি দাবি করেন, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সোর্স হিসেবে কাজ করেন। সোমবার (৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। মামুনুল হক লিখেছেন, কয়েক মাস আগে তার এক অনুজ তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের একজন নির্ভরযোগ্য আলেম এবং কওমি অঙ্গনের হাতে গোনা কয়েকজন মুহাক্কিক আলেমের মধ্যে অন্যতম। আত্মীয়তা ও পরিচয়ের সূত্রে ইউরোপ ও আমেরিকায় তার ঘনিষ্ঠ অনেকের বসবাস রয়েছে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে কাজ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই অনুজ হঠাৎ করে তাকে একজন ব্যক্তির সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, যা তাকে কিছুটা বিস্মিত করে। পরে ওই অনুজ জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাকি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সোর্স হিসেবে কাজ করেন—যা শুনে তিনি বিস্মিত হন। স্ট্যাটাসে তিনি আরও দাবি করেন, অন্য একজন তাকে সরাসরি জানিয়েছেন যে ওই ব্যক্তির বাংলাদেশের এমন কিছু স্থানে প্রবেশাধিকার রয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষের যাওয়ার সুযোগ নেই এবং সাধারণত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়া সেখানে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। অথচ একজন সাধারণ ব্যক্তি হয়েও তিনি এসব সংরক্ষিত এলাকায় অবাধে চলাফেরা করেন। এমনকি তাকে অনেক জায়গায় দেখে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও বিস্মিত হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মামুনুল হক বলেন, তিনি যার বিষয়ে কথা বলছেন, তার নাম প্রকাশ করলে অনেকেই অবাক হতে পারেন যে এত সাধারণ একজন ব্যক্তিকে কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে ব্যক্তিগত অবস্থানের কারণে নয়, বরং তার মতে, ওই ব্যক্তি এবং তার মতো আরও কয়েকজন মিলে বিভিন্ন ধরনের সিন্ডিকেট তৈরি করে ভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আলেম ও এতিমদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এসব ব্যক্তির প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা গেছে বলে তার ধারণা। তার দাবি, আগে যারা বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত ছিল, তাদের তুলনায় এখন এসব কথিত ‘এজেন্সি-চালিত’ ব্যক্তিরা সরকারি মহলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন। মামুনুল হক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে প্রভাব বিস্তার করলে তারা আলেম-ওলামাদের অঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতে পারে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও নিজেদের বিষয়গুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমন্বয় করা সম্ভব, কিন্তু তৃতীয় পক্ষের হয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা অজান্তেই ঐক্য নষ্ট করতে পারে।