সর্বশেষ
বিএনপি নেত্রী নিপুন রায়ের ৫০০ ভরি স্বর্ণ ও ১০ কোটি টাকা, স্বামীর আছে ১০০ ভরি স্বর্ণ!US Justice Department drops criminal probe of Fed chair Jerome PowellRussian oil exports slump as Ukraine hammers ports and refineriesAlcaraz’s French Open threepeat dream ended by wrist injuryফায়ারিং স্কোয়াডসহ যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।জামায়াত নেত্রী মারদিয়া মমতাজের সম্পদ আছে ৪০ লাখ টাকার।জামায়াত নেত্রী নূরুন্নিসা সিদ্দীকার কেরানীগঞ্জে ২০ বিঘা জমিএখনো সময় আছে, বিএনপি যেন জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করে: হামিদুর রহমান আজাদ।বিএনপি নেত্রী নিপুন রায়ের ৫০০ ভরি স্বর্ণ ও ১০ কোটি টাকা, স্বামীর আছে ১০০ ভরি স্বর্ণ!US Justice Department drops criminal probe of Fed chair Jerome PowellRussian oil exports slump as Ukraine hammers ports and refineriesAlcaraz’s French Open threepeat dream ended by wrist injuryফায়ারিং স্কোয়াডসহ যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।জামায়াত নেত্রী মারদিয়া মমতাজের সম্পদ আছে ৪০ লাখ টাকার।জামায়াত নেত্রী নূরুন্নিসা সিদ্দীকার কেরানীগঞ্জে ২০ বিঘা জমিএখনো সময় আছে, বিএনপি যেন জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করে: হামিদুর রহমান আজাদ।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন: তারেক রহমানকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এবং সহিংস রাজনীতির প্রতীক’ হিসেবে চিহ্নিত?

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন: তারেক রহমানকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এবং সহিংস রাজনীতির প্রতীক’ হিসেবে চিহ্নিত?

ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমানের ফেরত আসা যতটা উল্লাসের সৃষ্টি করেছে, ততটাই তার অতীতের দুর্নীতি ও সহিংসতার অভিযোগগুলোকে নতুন করে আলোচনায় তুলে এনেছে। সম্প্রতি টাইম ডট কম-এ প্রকাশিত একটি এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে তারেক রহমানকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এবং সহিংস রাজনীতির প্রতীক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর ছায়া ফেলেছে। প্রতিবেদনে তার অতীতের কেলেঙ্কারি, জেলবাস এবং আন্তর্জাতিক সমালোচনার বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদক চার্লি ক্যাম্পবেলের লেখা এই নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারেক রহমানকে অনেক বাংলাদেশী এখনও উপহাসপূর্ণভাবে ‘খাম্বা তারেক’ নামে ডাকেন। এই ডাকনামটি একটি অভিযোগিত দুর্নীতি কেলেঙ্কারির সাথে যুক্ত, যেখানে হাজার হাজার বিদ্যুৎ খুঁটি (খাম্বা) তার একজন সহযোগীর কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্যে কেনা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু সেগুলো কখনো বিদ্যুৎ গ্রিডে সংযুক্ত করা হয়নি। তারেক রহমান এই অভিযোগগুলোকে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করলেও, প্রতিবেদনে একটি ফাঁস হওয়া ২০০৮ সালের মার্কিন কূটনৈতিক ক্যাবলে তাকে ‘ক্লেপটোক্র্যাটিক সরকার এবং সহিংস রাজনীতির প্রতীক’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ক্যাবলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার খ্যাতি ‘স্পষ্টভাবে এবং ঘন ঘন ঘুষ দাবি করার’ জন্য।

প্রতিবেদনে তারেক রহমানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অন্ধকার দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। ২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশের সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কালে তিনি ৮৪টি অভিযোগে ১৮ মাসের জন্য কারাগারে ছিলেন। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল অর্থ আত্মসাৎ, মানি লন্ডারিং এবং আওয়ামী লীগের একটি কনভয়ে গ্রেনেড হামলা সংগঠিত করার মতো গুরুতর অভিযোগ। কারাগারে তিনি নির্যাতনের শিকার হন, যা তার মেরুদণ্ডের সমস্যা সৃষ্টি করেছে, কিন্তু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এই অভিযোগগুলো তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দ্বারা উত্থাপিত হলেও, তার বিরুদ্ধে প্রমাণের অভাব না থাকলেও সেগুলোকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বলে মনে করা হয়।

এছাড়া, বিএনপির শাসনকালে (২০০১-২০০৬) বাংলাদেশকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল চার বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। প্রতিবেদনে তারেককে তার সমালোচকরা ‘লোভী এবং অধিকারসম্পন্ন ইউনিভার্সিটি ড্রপআউট’ বলে বর্ণনা করেছেন, যার একমাত্র যোগ্যতা তার জন্মসূত্রে প্রাপ্ত রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হলেও দ্বিতীয় বছরে পড়াশোনা ছেড়ে দেন এবং পরে ব্যবসা ও রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তার রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে দুর্নীতি এবং শাসনব্যবস্থায় অযাচিত হস্তক্ষেপের অভিযোগও বেড়েছে।

তারেক রহমানের এই নেগেটিভ চিত্র সত্ত্বেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি তার অভিযোগগুলোকে অস্বীকার করেন এবং বলেন যে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশগুলো বাতিল করেছে। তবে টাইমের প্রতিবেদন সতর্ক করে যে, তারেকের ফেরত আসা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে দুর্নীতির চক্র শুরু করতে পারে, বিশেষ করে যখন দেশটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং যুবকদের অসন্তোষের মুখোমুখি।

এই প্রতিবেদনটি তারেক রহমানের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে লেখা, যেখানে তিনি তার অতীতকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে বর্ণনা করেছেন। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এমন চিত্রণ তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে। উৎস: টাইম ডট কম (https://time.com/7358216/bangladesh-elections-tarique-rahman-profile/)।