সর্বশেষ
শ্বশুরবাড়িতে জায়াগা না পেয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয়।চট্টগ্রামে সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগার-এ হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুঙ্গ পদত্যাগ করেছেন।দেশে তিন মাসে ৮৫৪টি খুন, শুধু ঢাকায় ১০৭টিদক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ দোকানের সামনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা।যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প।হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরান কাজ করছে।যিশু খ্রিস্টের মুখে হাতুড়ি মারায় ২ সৈনিকের জেল দিলো ইজরায়েল।শ্বশুরবাড়িতে জায়াগা না পেয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয়।চট্টগ্রামে সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগার-এ হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুঙ্গ পদত্যাগ করেছেন।দেশে তিন মাসে ৮৫৪টি খুন, শুধু ঢাকায় ১০৭টিদক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ দোকানের সামনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা।যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প।হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরান কাজ করছে।যিশু খ্রিস্টের মুখে হাতুড়ি মারায় ২ সৈনিকের জেল দিলো ইজরায়েল।
Live Bangla Logo

পূর্বাচল প্লট জালিয়াতি মামলায় শেখ হাসিনা ৫–রেহানা ৭–টিউলিপ ২ বছরের কারাদণ্ড।

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
পূর্বাচল প্লট জালিয়াতি মামলায় শেখ হাসিনা ৫–রেহানা ৭–টিউলিপ ২  বছরের কারাদণ্ড।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং রেহানার মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে—

  • শেখ হাসিনা: ৫ বছর কারাদণ্ড
  • শেখ রেহানা: ৭ বছর কারাদণ্ড
  • টিউলিপ সিদ্দিক: ২ বছর কারাদণ্ড

তিনজনকেই এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অপর ১৪ জন আসামিকেও ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি করে। এর আগে দুদকের অন্য তিন মামলায় শেখ হাসিনা মোট ২১ বছর সাজা পেয়েছিলেন। বর্তমান মামলায় কেবল রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশীদ আলম কারাগারে রয়েছেন; বাকি ১৬ আসামি পলাতক।

দুদক সূত্র জানায়, পূর্বাচল প্রকল্পে অনিয়ম করে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ রেহানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। তদন্ত শেষে ১০ মার্চ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। গত ৩১ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষ্য দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন:

সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম।