সর্বশেষ
এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।Can Japan’s arms industry gain from Trump trust loss?LIVE: Bayern Munich vs Real Madrid – Champions League quarterfinalএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।Can Japan’s arms industry gain from Trump trust loss?LIVE: Bayern Munich vs Real Madrid – Champions League quarterfinal
Live Bangla Logo

ভারতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ফোন নাম্বার সহ তথ্য ফাঁস।

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ভারতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ফোন নাম্বার সহ তথ্য ফাঁস।

কলকাতায় আস্তানা গাড়া আ. লীগের প্রত্যেকেই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যারাই ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তারা কেউই যেন গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের বাইরে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে চাইছে ভারতের ডিপ স্টেট।

ইতোমধ্যে প্রত্যেকের জন্য বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিশ্চিত করা হয়েছে, যা রীতিমতো রহস্যের জন্ম দিয়েছে। অধিকাংশই অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন; অথচ তাদের প্রত্যেকের হাতে এখন বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট! এ ব্যাপারে কলকাতার একটি সূত্র জানিয়েছে, পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের কোনো একটি গোষ্ঠীকে সহযোগিতা করেছে।

এদিকে বাংলা এডিশনে প্রকাশিত অনুসন্ধানে জানা গেছে, কলকাতার অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে শহরতলিতে আশ্রয় নিয়েছেন পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা। কেউ কেউ বাড়ি ভাড়া করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে রীতিমতো সংসার পেতে বসেছেন। অনেকে আবার থাকছেন হোটেল ভাড়া করে। তবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ নেতারা রুম ভাড়া নিয়ে মেস সিস্টেমে থাকছেন।

ভারতীয় ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার স্ত্রী ইশরাতুন্নেছা কাদেরকে নিয়ে ‘পিএস ওয়ান-১০, থাকদারী, নিউ টাউন, কলকাতা’—এই ঠিকানায় অবস্থান করছেন। তার হাতে এখন যে বাংলাদেশি পাসপোর্টটি রয়েছে, তার নম্বর ডি-০০০১০৭৫৯। ওবায়দুল কাদের কলকাতায় যে মোবাইল সিম ব্যবহার করছেন, তার নম্বর +৯১৯৩৩০৩৪১৮১০।

আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম তার দুই ছেলে শেখ ফজলে নাইম ও শেখ ফজলে ফাহিমকে (এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি) নিয়ে কলকাতায় অবস্থান করছেন। তার বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১২০৬৯। তার ফোন নম্বর +৯১৭০০৫৬৮৩৬৯৩।

প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তার স্ত্রী পারভীন চৌধুরী এবং কাজের লোক মো. মামুন হোসেনকে নিয়ে তার সংসারজীবন পার করছেন কলকাতায় বসে। তার বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর এ-১২৩২৮৭৯৬। তার কলকাতার ফোন নম্বর +৯১৭৪৩৯৩৩৪৭৬৪।

প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক তার স্ত্রী সাইয়েদা আনজুমান বানু, মেয়ে আমরিন রাখি, জামাতা মো. নাজমুল ইসলাম, নাতি আফফান সিদ্দিক, নাতনি মেজরিশ কবীর, নাতি নাজেইর ওয়াজদি আসওয়াত, এপিএস অপূর্ব ত্রিপুরা এবং পিএস (রাজনৈতিক) মাসুদুর রহমান বিপ্লবকে নিয়ে কলকাতায় বসবাস করছেন। নানকের বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর বি-০০৬৯২২৬৬। তিনি এখনো বাংলাদেশি নম্বর ব্যবহার করছেন। তার ফোন নম্বর ০১৭৭৭৭৭৭৭৭৫।

প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান তার স্ত্রী শাহীন আখতার, দুই মেয়ে অনিকা ফারিহা জামান ও মাইশা সামিহা জামানকে নিয়ে কলকাতা সদরে অবস্থান করছেন। তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১২৮৩০। তিনি কলকাতায় বাংলাদেশি সিম ব্যবহার করছেন। তার বর্তমান ফোন নম্বর ০১৭১১৮১০৯৭০।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তার মেয়ে সাফিয়া তাসনিম খান ও কাজের লোক মো. সাইফুল ইসলামকে নিয়ে কলকাতার নিউ টাউনের রোজ ডেল টাওয়ারে বসবাস করছেন। তার বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১০০২০। কলকাতায় তার ব্যবহৃত ফোন নম্বর +৯১৯৩৩০৩৬০৪৫৪।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমকে নিয়ে নিউ টাউন অ্যাকশন এরিয়া-৩, কলকাতা—এ ঠিকানায় অবস্থান করছেন। তার বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১১৯৫৮। তার বর্তমান ফোন নম্বর +৯১৬৯০৯৭৯৩০৩৩।

সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু তার স্ত্রী সীমা হামিদকে নিয়ে কলকাতার অভিজাত এলাকা সল্টলেকের সেক্টর-২, সিজে ব্লক, সিজে ৩৩৩—এ ঠিকানায় বসবাস করছেন। তার কাছে থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১২৪৭৭। তার বর্তমান ফোন নম্বর +৯১৯৩৩০৩৮৯৪২২।

আইইবির সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর কলকাতায় কেষ্টোপুর এলাকায় প্রফুল্ল কুমার রোডে অবস্থিত বিশ্বরবর অ্যাপার্টমেন্টে থাকছেন। তার বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১২৯৬৪। তার বর্তমান ফোন নম্বর +৯১৮১১৮৯৭৮২৮৩।

অন্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১)। তিনি কলকাতায় আছেন এক সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে। এছাড়া শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১) ও তার ছেলে শেখ তন্ময় (বাগেরহাট-২), শেখ হেলালের ভাই সাবেক এমপি শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), শেখ সেলিমের বোনের স্বামী যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, শেখ হাসিনার ভাগ্নে চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১) ও মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন (ফরিদপুর-৪), আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (ঢাকা-৮) কলকাতায় অবস্থান করছেন।

অন্যদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯), শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক (মানিকগঞ্জ-৩), রেলপথমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহ্সান রাসেল (গাজীপুর-২), দ্বিতীয় স্ত্রী সিলভিয়া পারভীনসহ সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ (ময়মনসিং-৩), সাবেক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরিফ আহমেদ (ময়মনসিংহ-২), আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম (জামালপুর-৩), সফিউল আলম খান নাদেল (মৌলভীবাজার-৩), এসএম কামাল হোসেন (খুলনা-৩), সুজিত রায় নন্দী, দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাবেক এমপি সেলিম মাহমুদ (চাঁদপুর-১), উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, দলের কেন্দ্রীয় নেতা রেমন্ড আরেং কলকাতায় অবস্থান করছেন।

এছাড়া কলকাতায় আছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন (ঢাকা-৬), সাবেক এমপি মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), সাবেক এমপি অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩) ও তার স্ত্রী অপু উকিল, সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি), সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), সাবেক হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), তাহসিন বাহার সূচনা (সাবেক মেয়র, কুসিক), আলী আসগর টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শিবলী সাদিক (দিনাজপুর-৩), মাহমুদ হাসান রিপন (গাইবান্ধা-৫), ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা (রাজশাহী-২), আয়েন উদ্দিন (রাজশাহী-৩), তারভীর শাকিল জয় (সিরাজগঞ্জ-১) হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আকরামুল হক (সিরাজগঞ্জ-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ (বাগেরহাট-৪), আক্তারুজ্জামান (খুলনা-৬), সাবেক সিইসি নূরুল হুদার ভাগ্নে এসএম শাহজাহান (পটুয়াখালী-৩), পংকজ নাথ (বরিশাল-৪), একেএম আউয়াল সাইদুর রহমান (পিরোজপুর-১), মহিউদ্দিন মহারাজ (পিরোজপুর-২), আমানুর রহমান রানা (টাঙ্গাইল-৩), ছোট মনির ((টাঙ্গাইল-২), অনুপম শাহজাহান জয় (টাঙ্গাইল-৩), মো. জোয়াহেরুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৮), শাহীন চাকলাদার (যশোর-৬), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), সাবেক হুইপ আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), সানোয়ার হোসেন ছানু (শেরপুর-১), আব্দুল মালেক সরকার (ময়মনসিংহ-৬), ফাহিম গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), মোস্তাক আহমেদ রবি (নেত্রকোনা-১), সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি (কিশোরগঞ্জ-১), আওলাদ হোসেন (ঢাকা-৪), মশিউর রহমান সজল (ঢাকা-৫), যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিল (ঢাকা-১৪), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৫), মো. হাবিব হাসান (ঢাকা-১৮), সাইফুল ইসলাম (ঢাকা-১৯), শাহদাব আকবর (ফরিদপুর-২), মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জিল্লুর রহমান (মৌলভীবাজার-৩), ময়েজ উদ্দিন শরিফ (মৌলভীবাজার-২), জাহাঙ্গীর আলম সরকার (কুমিল্লা-৩), প্রাণ গোপাল দত্ত (কুমিল্লা-৭), আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম (ফেনী-১), নিজাম উদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন (লক্ষ্মীপুর-২), মহিউদ্দিন বাচ্চু (চট্টগ্রাম-১০), আশেক উল্লাহ রফিক (কক্সবাজার-২) ও মহিলা এমপি পারুল আক্তার।

এর বাইরে জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশকিছু মধ্যম সারির নেতা, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়রও আছেন সেখানে। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর শরিফ, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল কুণ্ডু, সাবেক ছাত্রনেতা জয়দেব নন্দী, গোলাম সারোয়ার কবীর, যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা উত্তর সিটি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকা অভিনেত্রী তারিন জাহানও বর্তমানে আছেন কলকাতায়।

আওয়ামিলীগ #ভারতে #আশ্রয় #নেতৈদের #তথ‍্য #ফাঁস

লাইভবাংলা #livebangla