এক ছাত্রীর আত্মহত্যার পর দনিয়ার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-ভাঙচুর

রাজধানীর দনিয়ায় ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। একপর্যায়ে তারা স্কুলে ভাঙচুর করেছেন বলে জানা গেছে।
বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের অভিযোগ, ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান (লিটন) নানা অজুহাতে শিক্ষার্থীদের হয়রানি করেন। এমন একটি ঘটনার পর সাবিকুন নাহার নামের দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী বুধবার গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
এর জের ধরে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ ও ভাঙচুর চালায় বলে ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কর্মীরা জানিয়েছেন। একাধিক কর্মী প্রথম আলোকে জানান, দনিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পাশাপাশি দুটি ভবন। সকালে প্রভাতি শাখার কিছু শিক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে বেলা ১১টার দিকে স্কুলের প্রবেশপথে জড়ো হয়। এ সময় তারা অন্য শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসানের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে।
এতে অভিভাবকেরাও অংশ নেন। একপর্যায়ে বহিরাগত মানুষ এসে বিক্ষোভকারীদের উসকে দেয়। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে সাবিকুন নাহার যে ভবনটিতে পড়ে, সেটিতে ভাঙচুর চালায়। তারা স্কুলটির সিসি ক্যামেরা, কাচ ও ক্যাবিনেট ভাঙচুর করেছে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এ অবস্থা চলে। একপর্যায়ে তারা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসানের ওপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ মাসুদ হাসানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।