সর্বশেষ
খবরে প্রকাশ, Sudanese refugees trapped between borders and bureaucracy in MoroccoIsrael says established a ‘yellow line’ in Lebanon, as it has in GazaMexico, Spain and Brazil call for Cuba’s sovereignty to be protectedসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Iran military orders Indian ship to abort Strait of Hormuz passageদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Manchester United beat Chelsea as Cunha strike boosts Champions League hopeমার্কিন অবরোধ না ওঠা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসিঅকটেন পেট্রল ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়লদ্বিতীয় দফা বৈঠক ঘিরে অনিশ্চয়তাখবরে প্রকাশ, Sudanese refugees trapped between borders and bureaucracy in MoroccoIsrael says established a ‘yellow line’ in Lebanon, as it has in GazaMexico, Spain and Brazil call for Cuba’s sovereignty to be protectedসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Iran military orders Indian ship to abort Strait of Hormuz passageদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Manchester United beat Chelsea as Cunha strike boosts Champions League hopeমার্কিন অবরোধ না ওঠা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসিঅকটেন পেট্রল ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়লদ্বিতীয় দফা বৈঠক ঘিরে অনিশ্চয়তা
Live Bangla Logo

ফরিদপুরের গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার এক পুলিশ।

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
ফরিদপুরের গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার এক পুলিশ।



ফরিদপুরের সালথায় গভীর রাতে মাদক মামলার আসামির বাড়িতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি, যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন তিনি আসামি ধরতে গিয়েছিলেন।


শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তি মো. ইমরান হাসান, তিনি সালথা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং ওই ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। সেই সূত্রে এএসআই ইমরান তার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ সময় মেহেদীর স্ত্রীর সঙ্গে ইমরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।


শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে ইমরান মেহেদীর বাড়িতে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং মারধর করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।


অন্যদিকে, মেহেদী হাসানের দাবি—তিনি আগে থেকেই তার স্ত্রীর সঙ্গে ইমরানের কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই রাতে ইমরান ঘরে ঢুকলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এএসআই ইমরান বলেন, তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে সাদা পোশাকে গভীর রাতে একা অভিযানে যাওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।


সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আসামি ধরতে গেলে মেহেদীর পরিবারের লোকজন ইমরানকে মারধর করে। কেন তিনি একা ও সাদা পোশাকে সেখানে গিয়েছিলেন—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।