সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Trump joined by Joe Rogan as he signs order to speed up psychedelic reviewনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Ukraine police shoot dead gunman who killed six in Kyiv, took hostagesজনদুর্ভোগ আছে কি না, বুঝতে পেট্রলপাম্প পরিদর্শনে গেলেন জামায়াত আমির‘একাত্তরের ইতিকথা’ গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের অজানা অধ্যায়চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত১৮ এপ্রিলকে ‘জাতীয় যুব দিবস’ ঘোষণার দাবিবাংলাদেশ সফরের পাকিস্তান দলের চার নতুন মুখ, কারা কেমনযুদ্ধ বন্ধে সংলাপে ফেরাতে জোর তৎপরতা পাকিস্তানেরসূত্রের খবর অনুযায়ী, Trump joined by Joe Rogan as he signs order to speed up psychedelic reviewনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Ukraine police shoot dead gunman who killed six in Kyiv, took hostagesজনদুর্ভোগ আছে কি না, বুঝতে পেট্রলপাম্প পরিদর্শনে গেলেন জামায়াত আমির‘একাত্তরের ইতিকথা’ গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের অজানা অধ্যায়চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত১৮ এপ্রিলকে ‘জাতীয় যুব দিবস’ ঘোষণার দাবিবাংলাদেশ সফরের পাকিস্তান দলের চার নতুন মুখ, কারা কেমনযুদ্ধ বন্ধে সংলাপে ফেরাতে জোর তৎপরতা পাকিস্তানের
Live Bangla Logo

ইরানের ঘোষণা: আমেরিকার নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালী

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের ঘোষণা: আমেরিকার নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালী

ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, আমেরিকার অব্যাহত নৌ অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালী পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংস্থাটি তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ‘‘আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’’ এবং এটি মূলত আমেরিকার অবরোধের কারণে ঘটেছে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছেন, আইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ‘‘পুরোপুরি কার্যকর’’ থাকবে যতক্ষণ না ইরানের সাথে তাদের সকল লেনদেন সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়। তিনি এই নৌ অবরোধকে দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সংকট মোকাবিলার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

হরমুজ প্রণালী জুড়ে অবরোধের ফলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তেলের সরবরাহ সংকট ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, কারণ এই প্রণালী বিশ্বের প্রধান তেল পরিবহনের পথ হিসেবে বিবেচিত। ইরান তার নিজস্ব শর্তে এই জলসীমায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং তাদের দাবি, আমেরিকার 'ডাকাতানি' নীতিমালা ও অবরোধের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার উত্তেজনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ফাটল ও সামরিক সংঘর্ষের শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এবং বিশ্বের শক্তিধর দেশেরাও সন্দেহ আর উদ্বেগের চোখে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।

এদিকে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলার ফলে হাজার হাজার মানুষের বাধ্যতামূলক বাস্তুচ্যুতি ঘটেছে। গৃহযুদ্ধের তীব্রতায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগণ এখন দীর্ঘ নিরস্ত্রতার প্রথম দিনে ধীরে ধীরে তাদের নিজ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। এ ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তা আরও প্রকট করে তুলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, কূটনীতিক এবং সামরিক বিশ্লেষকগণ জানান, এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় উদ্যোগ অপরিহার্য। তবে কারো পক্ষেই আপাতত সরাসরি সংঘর্ষ এড়ানোর রূপরেখা তৈরি করা কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।