সর্বশেষ
খবরে প্রকাশ, Ukraine police shoot dead gunman who killed six in Kyiv, took hostagesদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Sudanese refugees trapped between borders and bureaucracy in Moroccoখবরে প্রকাশ, Mexico arrests suspected Hungarian drug trafficker amid crime crackdownWill Keir Starmer resign?তিন মুখ্যমন্ত্রীকে এনে প্রচার বিজেপির, মমতা বললেন হেনস্তার জবাব দেবে মানুষসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Ukraine police shoot dead gunman who killed six in Kyiv, took hostagesসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Sudanese refugees trapped between borders and bureaucracy in Moroccoদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Mexico arrests suspected Hungarian drug trafficker amid crime crackdownখবরে প্রকাশ, Ukraine police shoot dead gunman who killed six in Kyiv, took hostagesদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Sudanese refugees trapped between borders and bureaucracy in Moroccoখবরে প্রকাশ, Mexico arrests suspected Hungarian drug trafficker amid crime crackdownWill Keir Starmer resign?তিন মুখ্যমন্ত্রীকে এনে প্রচার বিজেপির, মমতা বললেন হেনস্তার জবাব দেবে মানুষসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Ukraine police shoot dead gunman who killed six in Kyiv, took hostagesসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Sudanese refugees trapped between borders and bureaucracy in Moroccoদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Mexico arrests suspected Hungarian drug trafficker amid crime crackdown
Live Bangla Logo

ইউএস-ইরান সংলাপের পথ সুগম করতে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর ওষুধযাত্রা শেষে ফেরতের প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
ইউএস-ইরান সংলাপের পথ সুগম করতে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর ওষুধযাত্রা শেষে ফেরতের প্রস্তুতি

সাম্প্রতিক দিনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরীফ ও সামরিক প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির পৃথক কূটনৈতিক সফর সমাপ্ত করেছেন, যা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা ও সংঘাতের সমাধান অনুসন্ধানে নিযুক্ত। এই সফরগুলো ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার অগ্রগতি ঘটাতে এবং দুই পার্শ্বের মধ্যে ডিপ্লোমেটিক রেশমি সেতুবন্ধন স্থাপনে পাকিস্তানের অবিচল সমর্থনের প্রতিফলন বহন করে।

ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তেহরানে তিন দিনের নিবিড় সফরকালে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, including রাষ্ট্রপতি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদ স্পিকার এবং সামরিক প্রধানদের সঙ্গে বর্ণাঢ্য বৈঠক করেছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রদানকৃত তথ্য অনুসারে, এই আলোচনা মূলত শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে ছিলো যাতে অঞ্চলব্যাপী স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়। উল্লেখযোগ্য, পেছনের সপ্তাহে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস অরাগচি واشিংটনের সঙ্গে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় ফেস-টু-ফেস বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বলে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতারের তিনদেশ সফর সম্পন্ন হয়েছে বিশ্বের শক্তিশালী নেতাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় করার উদ্দেশ্যে। তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত কূটনৈতিক ফোরামে অংশগ্রহণ শেষে শহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘‘আমার তুরস্ক সফর হৃদয়স্পর্শী স্মৃতিতে ভরপুর এবং আমাদের জাতীয় বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করেছে।’’ তাঁর লক্ষ্য হলো অঞ্চলজুড়ে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।

এই প্রদীপ্ত ভূমিকা নেওয়ার পেছনে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে তারা ইউএস-ইরান আলোচনার মঞ্চ হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে উদ্যত। তেহরানের দোষারোপের পরাভূত হরমুজ প্রণালী পুনরায় সীমাবদ্ধ করায় মতান্তর বেড়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ পায়। এর মধ্যেই মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সংক্রান্ত দ্বিতীয় দফা আলাপচারিতার সম্ভাবনা পাকিস্তানেের মাটিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন এবং ফিল্ড মার্শাল মুনিরের কাজের প্রশংসা করেছেন।

আল জাজিরার ইসলামাবাদ প্রতিনিধি কামাল হায়দার জানান, ‘‘মুনির শনিবার দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। পাকিস্তানে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইউএস-ইরান আলোচনা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাকিস্তানি নেতৃত্বের ব্যাপক প্রশংসা লক্ষ্য করা গেছে যা এই অঞ্চলের শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রমাণ। যদিও গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো এখনো বাকি, তবু আলোচনার উত্তেজনা ও অগ্রগতি স্পষ্ট।”

সর্বোপরি, পাকিস্তানের এই সক্রিয় ডিপ্লোমেসি একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে তাদের ভূমিকার প্রতিফলন, অন্যদিকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শান্তির সম্ভাবনার আলো জ্বালাতে ভূমিকা রাখছে। সামনের দিনগুলোতে শান্তি আলোচনা কিভাবে এগোবে তা বিশ্বের নজরকাঁকা বিষয় হয়ে থাকবে।