মহাখালীতে সরকারি জমি উদ্ধারে বাধা দিয়েছিলেন পার্থর লোকজন: তৈয়ব।

রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি কলোনিতে সরকারি জমি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আন্দালিভ রহমান পার্থ-এর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
শুক্রবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দাবি করেন, মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি কলোনিতে বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে বেদখল অবস্থায় রয়েছে। সেখানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে বস্তি তৈরি করে ভাড়া-বাণিজ্য চালানো হচ্ছে। এই দখল বাণিজ্য কড়াইল বস্তি পর্যন্ত বিস্তৃত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় আন্দালিভ রহমান পার্থর লোকজন বাধা দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় পার্থ সংশ্লিষ্ট আসন থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ একাধিক কর্মকর্তাকে জমি উদ্ধারের কার্যক্রম থেকে সরাসরি বিরত থাকতে বলা হয়েছিল বলেও দাবি করেন ফয়েজ আহমদ। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে তার কাছে অভিযোগ করেছিলেন এবং উচ্ছেদ কার্যক্রম চালু থাকলেও তারা ভীত ছিলেন।
ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, ওই এলাকায় কলোনি ভাড়া, অবৈধ ঘর নির্মাণের পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণাধীন সিবিএসহ একটি সিন্ডিকেট পরিচালনায় যুক্ত পাঁচজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় কাছ থেকে দেখেছেন—অনেক রাজনৈতিক নেতা ও তাদের ঘনিষ্ঠরা বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, যা বাইরে থেকে সহজে বোঝা যায় না। দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় তাদের প্রভাব ও হস্তক্ষেপ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।