সর্বশেষ
নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Israeli forces kill Palestinian teenager in occupied West Bank raidসূত্রের খবর অনুযায়ী, Mixed views in Lebanon ahead of controversial talks with Israelনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, South Africa president suspends police chief over $21m contractসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, US Department of Justice watchdog to probe release of Epstein filesIran dismisses Trump’s claim of leadership rift, says nation is ‘one soul’দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Israeli forces kill Palestinian teenager in occupied West Bank raidসূত্রের খবর অনুযায়ী, More than 6 million Somalis face hunger amid climate shocks and conflictদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Mixed views in Lebanon ahead of controversial talks with Israelনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Israeli forces kill Palestinian teenager in occupied West Bank raidসূত্রের খবর অনুযায়ী, Mixed views in Lebanon ahead of controversial talks with Israelনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, South Africa president suspends police chief over $21m contractসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, US Department of Justice watchdog to probe release of Epstein filesIran dismisses Trump’s claim of leadership rift, says nation is ‘one soul’দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Israeli forces kill Palestinian teenager in occupied West Bank raidসূত্রের খবর অনুযায়ী, More than 6 million Somalis face hunger amid climate shocks and conflictদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Mixed views in Lebanon ahead of controversial talks with Israel
Live Bangla Logo

গাইবান্ধায় বিএনপির লুটপাটে ভিজিএফ চাল বিতরণ বন্ধ করে কান্না করলেন চেয়ারম্যান, ভিডিও ভাইরাল।

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৬
গাইবান্ধায় বিএনপির লুটপাটে ভিজিএফ চাল বিতরণ বন্ধ করে কান্না করলেন চেয়ারম্যান, ভিডিও ভাইরাল।


গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার,“সাপমারা ইউনিয়ন”,“ভিজিএফের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভিজিএফের চাল দিতে না পেরে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডল। এ ঘটনায় তার কান্নার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।


বুধবার (১৮ মার্চ) গভীর রাতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত জনতার সামনে চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডল হাউমাউ করে কাঁদছেন এবং ভিজিএফের চাল বিতরণে বাধার অভিযোগ করছেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাপমারা ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ২ হাজার ৭৮৮টি ভিজিএফ স্লিপের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ের বণ্টন অনুযায়ী ২০ শতাংশ অর্থাৎ ৫৫৮টি স্লিপ বিএনপির জন্য রাখা হয়। বাকি ২ হাজার ২৩০টি স্লিপ চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হয়। এতে প্রত্যেক সদস্যকে ২০০টি করে স্লিপ দেওয়া হয়।


অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন চৌধুরী দলীয় অংশ নেওয়ার পরও চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বরাদ্দে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ২০০টি এবং প্রত্যেক সদস্যের কাছ থেকে ২০টি করে স্লিপ জোরপূর্বক নেন। পাশাপাশি ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সুমি আক্তার, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফরিদা বেগম এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আজাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০০টি করে স্লিপ দাবি করা হয়।


সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য সুমি আক্তার বলেন, দলীয় বরাদ্দ নেওয়ার পরও প্রত্যেকের কাছ থেকে জোর করে স্লিপ নেওয়া হয়েছে। পরে আবার অতিরিক্ত স্লিপ দাবি করা হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আরও ক্ষিপ্ত হন।


তিনি অভিযোগ করেন, ৩০ থেকে ৪০ জন সমর্থক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে এসে সারোয়ার হোসেন চৌধুরী চাল বিতরণ বন্ধ করে দেন এবং চেয়ারম্যানসহ সদস্যদের একটি কক্ষে আটকে রেখে হুমকি দেন।


সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ফরিদা বেগম বলেন, তার কাছে ২০০ জন মানুষের তালিকা ও পরিচয়পত্র ছিল। কিন্তু তাকে ৯০টি স্লিপ বিতরণের কথা বলা হয় এবং ৩০টির চাল তুলে নিতে বলা হয়। অবশিষ্ট ৮০টি স্লিপের জন্য বারবার ফোনে চাপ দেওয়া হলেও তিনি কোনো স্লিপ দেননি।


ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডল বলেন, বিএনপি ৫৫৮টি স্লিপ নেওয়ার পরও সারোয়ার তার কাছ থেকে ২০০টি এবং প্রতিটি সদস্যের কাছ থেকে ২০টি করে স্লিপ নিয়েছেন। ভয়ে তারা স্লিপ দিতে বাধ্য হয়েছেন। এরপরও আরও তিন সদস্যের কাছ থেকে ৩০০ স্লিপ দাবি করা হয়। স্লিপ না দেওয়ায় চাল বিতরণ বন্ধ করে পরিষদে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়।


তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে চাল বিতরণ করতে না পেরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রশাসন ও কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার সহযোগিতায় পুনরায় চাল বিতরণ শুরু হলেও তা শেষ করা সম্ভব হয়নি। এখনো ১৪২ বস্তা চাল বিতরণ বাকি রয়েছে।


অভিযোগের বিষয়ে সারোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি কোনো স্লিপ নেননি বা কাউকে হুমকি দেননি। চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছেন।


তিনি দাবি করেন, মন্ত্রী আসার সুযোগে চেয়ারম্যান কয়েকজন দালালকে নিয়ে চাল বিতরণ শুরু করেন। এছাড়া নারী ইউপি সদস্য সুমি আক্তার নিজের ওয়ার্ড বাদ দিয়ে অন্যদের মধ্যে স্লিপ বিতরণ করেছেন। বিষয়টি ধরা পড়লে তিনি ভুল স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন।


ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।