সর্বশেষ
দুবাইয়ে ইরান যুদ্ধের ছবি ভিডিও প্রকাশ করায় ১ বাংলাদেশি সহ ১০ জন গ্রেপ্তারবান্দরবানের পাহড়ে ২৫০০ একর জায়গায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে ঘিরে প্রশ্নইরানের হামলায় আহত ইসরায়েলির সংখ্যা ২,৫৫৭ ও ১২ জন নিহত।দাজ্জালকে ফেরাতেই ইরানে আক্রমণ; নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড়প্রথম দিনেই সংসদে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হবে অন্তর্বর্তী সরকারের ৩৯ অধ্যাদেশস্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সারসংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস–জাইমাসহ উপস্থিত ছিলেন যারাহরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না ইরান।দুবাইয়ে ইরান যুদ্ধের ছবি ভিডিও প্রকাশ করায় ১ বাংলাদেশি সহ ১০ জন গ্রেপ্তারবান্দরবানের পাহড়ে ২৫০০ একর জায়গায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে ঘিরে প্রশ্নইরানের হামলায় আহত ইসরায়েলির সংখ্যা ২,৫৫৭ ও ১২ জন নিহত।দাজ্জালকে ফেরাতেই ইরানে আক্রমণ; নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড়প্রথম দিনেই সংসদে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হবে অন্তর্বর্তী সরকারের ৩৯ অধ্যাদেশস্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সারসংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস–জাইমাসহ উপস্থিত ছিলেন যারাহরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না ইরান।
Live Bangla Logo

মো. নাহিদ ইসলাম বলছেন :সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে, সেটা কতটা সম্ভব?

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
মো. নাহিদ ইসলাম বলছেন :সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে, সেটা  কতটা সম্ভব?
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। আজ (বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী সামরিক কবরস্থানে বিডিআর সদরদপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞে শহিদ হওয়া সদস্যদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘চব্বিশের জুলাইয়ে গণহত্যা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। এজন্য তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না। সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে অভিশংসন করতে হবে। এরপর গণহত্যার দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।’ মো. নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। প্রশ্ন উঠেছে—সাংবিধানিকভাবে তা কতটা সম্ভব এবং প্রক্রিয়াটি কী? অভিশংসনের বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “সংবিধান লঙ্ঘন” করলে জাতীয় সংসদ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনতে পারে। প্রক্রিয়াটি হলো— • সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার ন্যূনতম এক-চতুর্থাংশ সদস্য লিখিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করবেন। • নির্ধারিত নোটিশ মেয়াদ শেষে প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হবে। • মোট সদস্যসংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হলে রাষ্ট্রপতি পদচ্যুত হবেন। এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক-সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, যা কেবল জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা যায়। দায়িত্বপালনকালে দায়মুক্তি সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দায়িত্বপালনকালে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় না। এমনকি তিনি পদে বহাল থাকাকালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি পদে থাকা অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা সাংবিধানিকভাবে সম্ভব নয়। পদচ্যুতির পরের প্রক্রিয়া রাষ্ট্রপতি পদচ্যুত হওয়ার পর যদি কোনো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ থাকে, তাহলে তিনি সাধারণ নাগরিকের মতোই আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় আসবেন। তখন তদন্ত, অভিযোগপত্র দাখিল এবং বিচারিক কার্যক্রম চলতে পারে। সারসংক্ষেপ সাংবিধানিক বাস্তবতা হলো— ১. প্রথমে জাতীয় সংসদে অভিশংসন প্রক্রিয়া সফল হতে হবে। ২. দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হলে রাষ্ট্রপতি পদচ্যুত হবেন। ৩. এরপরই কেবল তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ও গ্রেপ্তারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। অতএব, অভিশংসন ছাড়া সরাসরি রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করা সংবিধানসম্মত নয়।