সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটিসূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটি
Live Bangla Logo

ইসরাইলকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তার গোপন নথি ফাঁস।

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
ইসরাইলকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তার গোপন নথি ফাঁস।

গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলকে ‘সব ধরনের প্রয়োজনীয় উপায়ে’ সহায়তা দিতে প্রস্তুত ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)—এমন দাবি সংবলিত গোপন নথি ফাঁস হয়েছে। নথিগুলো সম্প্রতি এমিরেটলিকস নামের একটি অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসে।

ফাঁস হওয়া নথি অনুযায়ী, লোহিত সাগর অঞ্চলে ইউএইয়ের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রস্তুত করা এই নথিটি ইউএই সশস্ত্র বাহিনীর জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের উদ্দেশে লেখা। নথির প্রণেতা হিসেবে আল ধাফরা অঞ্চলের প্রতিনিধি ও ইউএই রেড ক্রিসেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান হামদান বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

নথিতে বলা হয়, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামলার পর এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক সহযোগিতা চুক্তির ভিত্তিতে, দক্ষিণ লোহিত সাগর অঞ্চলের সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে ইসরায়েলকে সমর্থনের নির্দেশ বাস্তবায়নে দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ জন্য ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের আল-মোখা, ইরিত্রিয়ার মাসাওয়া ও আসাব এবং সোমালিয়ার বিভিন্ন ঘাঁটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ফাঁস হওয়া নথিতে ফিলিস্তিনে ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ ইসরায়েলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয় এবং ‘সন্ত্রাসীরা পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত’ এই সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়।

এছাড়া দুই দেশের মধ্যে তথাকথিত ‘সামাজিক সংহতি’ জোরদারে বিভিন্ন ‘কমিউনিটি উদ্যোগ’ চালু রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সামরিক প্রযুক্তিতে ‘ঘনিষ্ঠ ও সমন্বিত’ সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়। নথিতে ইসরায়েলকে এক বিলিয়ন ডলারের গোয়েন্দা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিও করা হয়েছে।

নথিতে কাতারের বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতকে কাতারের সঙ্গে ‘একযোগে’ ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বিপুল অঙ্কের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়, যা ইউএইয়ের নীতি ও কুয়েতের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির ‘স্পষ্ট বিরোধিতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নথিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে ইউএইয়ের পূর্ববর্তী সম্পর্ক তাদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংকটে পাশে দাঁড়ানোর বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ঐতিহাসিক চুক্তির পর থেকে দুই দেশের সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ইউএই। এরপর সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব দেশকে এই চুক্তিতে যুক্ত করতে চাপ দিয়ে আসছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।

২০১৫ সালে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউএই ইয়েমেনের বিভিন্ন বন্দর, দ্বীপ ও জলপথে সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলে। একই সঙ্গে সোমালিয়ার উপকূলজুড়েও ইউএই সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হয়।

এর আগে ২০২৪ সালে বলকান ইনসাইটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউএই-সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান ইউগোইমপোর্ট-এসডিপিআর সামরিক বিমানের মাধ্যমে ইসরায়েলে ১ কোটি ৭১ লাখ ডলারের অস্ত্র রপ্তানি করেছে, যা গাজায় চলমান যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে। পাশাপাশি ইউএইয়ের একাধিক প্রতিষ্ঠান সাবেক মোসাদ প্রধানের সহপ্রতিষ্ঠিত ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তা কোম্পানি এক্সএম সাইবারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান তেল, জ্বালানি ও তথ্যখাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের সংবেদনশীল বাজারকে লক্ষ্য করে কাজ করছে।