সর্বশেষ
আইপিএলে আবারও চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরুপ্রবাসীর স্ত্রীর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধর্ষণ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা।চট্টগ্রাম নগরে সড়কের ওপর এখনো চামড়ার স্তূপ, দুর্গন্ধে টেকা দায়পদ্মা ও যমুনা সেতু থেকে গত ১০ দিনে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা টোল আদায়দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসআদ্-দ্বীন হাসপাতালকে তিন লাখ টাকা জরিমানালেবাননে ৯০০ বছরের পুরোনো কৌশলগত দুর্গ দখল করে নিল ইসরায়েলি বাহিনীঈদের ছুটি শেষ, আগামীকাল খুলছে অফিস-আদালতআইপিএলে আবারও চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরুপ্রবাসীর স্ত্রীর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধর্ষণ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা।চট্টগ্রাম নগরে সড়কের ওপর এখনো চামড়ার স্তূপ, দুর্গন্ধে টেকা দায়পদ্মা ও যমুনা সেতু থেকে গত ১০ দিনে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা টোল আদায়দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসআদ্-দ্বীন হাসপাতালকে তিন লাখ টাকা জরিমানালেবাননে ৯০০ বছরের পুরোনো কৌশলগত দুর্গ দখল করে নিল ইসরায়েলি বাহিনীঈদের ছুটি শেষ, আগামীকাল খুলছে অফিস-আদালত
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর মারা গেছেন।

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর মারা গেছেন।

লেখক, গবেষক, বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর মারা গেছেন।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর শ্যামলীতে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০টা ৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

হাকিম লালা আরও জানান, গত ২২ জুলাই শ্বাসকষ্ট ও নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে বদরুদ্দীন উমর হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘ ১০ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফেরেন গত সপ্তাহে।

১৯৩১ সালে ২০ ডিসেম্বর ভারতের বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা আবুল হাশিম ভারতীয় উপমহাদেশের একজন মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ ছিলেন। ষাটের দশকে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন আর ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে তার লেখা বইগুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

তার চিন্তা বুঝতে সহায়ক বিশেষ করে ‘সাম্প্রদায়িকতা’ (১৯৬৬), ‘সংস্কৃতির সংকট’ (১৯৬৭), ‘সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা’ (১৯৬৯)—তিনটি বই। এই বই লিখেই তিনি ক্ষান্ত হননি। তিনি শাসকদের অধীনে চাকরি পর্যন্ত করবেন না, এ মনোভাব পোষণ করে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।

মৃত‍্যু #বদরুদ্দীনউমর